কলকাতা
SSC দুর্নীতিতে চারজনের যোগ! ওএমআর শিটের তথ্য নষ্ট, অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ
নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ৩রা এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের রায়দনে বাংলার প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মী চাকরিহারা হয়ে গিয়েছেন। এসএসসি দুর্নীতির অভিযোগে শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দিয়েছে। ২০২২ সাল থেকে এই সংক্রান্ত তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
আদালতে একাধিক চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেই সমস্ত চার্জশিটে এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম এসেছে। সিবিআই বারংবার উল্লেখ করেছে চার্জশিটে এসএসসির তিন উচ্চপদস্থ কর্তা এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এক কর্তার নাম। তারাই এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে সিবিআইয়ের দুর্নীতির চারমূর্তি।
প্রশ্ন উঠছে, ওএমআর শিটের তথ্য নষ্ট করলেন কারা? কাদের হাতে অযোগ্যদের নিয়োগ করা হল? এমনকি একাধিক নম্বরে কারচুপির অভিযোগ রয়েছে এই চারজনের বিরুদ্ধে। এসএসসি দুর্নীতির বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে চারমূর্তির প্রত্যক্ষ যোগ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
আরও পড়ুন – ঝড়ের মধ্যেও অনশনে অনড়! ব্রাত্যর সঙ্গে বৈঠকে চাকরিহারারা
এসএসসি দুর্নীতির বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে চারমূর্তির প্রত্যক্ষ যোগ ছিল বলে অভিযোগ। OMR শিটের তথ্য নষ্ট থেকে শুরু করে, যোগ্য নয়, অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ, এমনকি নম্বরে কারচুপি। এসএসসি মামলায় শুরু থেকেই এই চার জনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ ভুরি ভুরি। এখন আপাতত তারা প্রত্যেকেই জেলে।
অনেকজনের মতে, এসএসসি দুর্নীতিতে চাকরি বাতিল এবং সেই সংক্রান্ত যে নানান যেসমস্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেই সব দুর্নীতির মুলে এই চার জন। কারণ, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় একটা বড় অংশে যোগ্য ও অযোগ্য আলাদা করা যায়নি। অভিযোগ, যোগ্য-অযোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে উত্তরপত্র নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ২০১৬-এর পুরো প্যানেল বাতিল করেছে শীর্ষ আদালত। উত্তরপত্র-এর তথ্য নষ্টের অভিযোগ রয়েছে মূলত এই চারজনের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন – শনিবার ফের চাকরিহারাদের সঙ্গে বৈঠক শিক্ষামন্ত্রীর! বেতন প্রসঙ্গে কি বললেন?
