কলকাতা
দুই জেলার ডিপিএসসির চেয়ারম্যানকে জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি বিচারপতি রাজশেখর মান্থা-র
দুই জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতির ভুমিকায় অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট।বাম আমলে ২০০৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নিয়েও তা বাতিল করা হয়। পরে আবারও ২০১৪ সালে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়। এরপর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চারটি জেলায় নিয়োগের অনিয়ম নিয়ে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
লক্ষ্মীবারে তৃণমূলের রাজ্য কনভেনশন,সেজে উঠেছে নেতাজি ইন্ডোর
২০২৪ সালের ২৬ এপ্রিল মালদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যানকে শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দেয় আদালত।আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন। মালদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ আবার দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের।সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য হাইকোর্টের রায়কেই বহাল রাখে। কিন্তু এরপরও নিয়োগ না হওয়ায় হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা দু’সপ্তাহের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করার আদেশ দেন।বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ না মেনে কমিশন জানিয়ে দেয়,আদালতে মামলাকারীরা ২০১০-এর অ্যাডমিট কার্ড জমা দিতে পারেননি।ফলে তাঁদের চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়।
পিসি শাশুড়িকে খুন-দেহ লোপাটের চেষ্টা,ধৃত মা ও মেয়ের জেল হেফাজত
ডিপিএসসি চেয়ারম্যানের এই আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। শুক্রবারের মধ্যে মালদহ ও উত্তর চব্বিশ পরগনা এই দুই জেলার ডিপিএসসির চেয়ারম্যানের কাছে হলফনামা তলব করেছে হাইকোর্ট।হলফনামা জমা না করলে মালদহ ও উত্তর চব্বিশ পরগনা এই দুই জেলার ডিপিএসসির চেয়ারম্যানের জেলে পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।বিচারপতি মান্থা মন্তব্য করেন, “বারবার আদালতের নির্দেশ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন চেয়ারম্যান। তাই আদালতে তাঁকে ব্যাখ্যা দিতে হবে যে কেন তাকে দু’-তিনমাসের জন্য জেলে পাঠানো হবে না।” শুক্রবার এই ব্যাখ্যা হলফনামা আকারে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। তাঁর পর্যবেক্ষণ,”ইচ্ছে করে আদালতের রায় না মানা আজকাল কমিশনের স্বভাব হয়ে গিয়েছে। কমিশনের এমন আদালতের রায় না মানা দুর্ভাগ্যজনক। শুক্রবার নির্দেশ না মানলে জেলে পাঠাব।”
