"আমি না থাকলে তুমি জেলে থাকতে"! ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে নজিরবিহীন আক্রমণ ট্রাম্পের
Connect with us

বিশ্বের খবর

“আমি না থাকলে তুমি জেলে থাকতে”! ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে নজিরবিহীন আক্রমণ ট্রাম্পের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে এসেছে। লেবাননে (Lebanon) ইজরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক অভিযান (Military Operation) এবং হিজবুল্লাহর (Hezbollah) বিরুদ্ধে আক্রমণ নিয়ে সম্প্রতি দুই নেতার মধ্যে উত্তপ্ত ফোনালাপ হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম (Media) সূত্রে জানা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (United States) প্রেসিডেন্ট ফোনে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নিজের সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, আমেরিকার হস্তক্ষেপ (Intervention) না থাকলে এতদিনে নেতানিয়াহুর ঠিকানা জেলখানায় হতো।

এক মার্কিন আধিকারিকের (Official) দাবি অনুযায়ী, ফোনালাপে নেতানিয়াহুকে তীব্র আক্রমণ করে ট্রাম্প বলেছেন, “তুমি এসব কী করছ? একটা আস্ত পাগল! আমি না থাকলে তুমি জেলে থাকতে। আমি তোমার জীবন বাঁচাচ্ছি। এখন সবাই তোমাকে এবং ইসরায়েলকে ঘৃণা করে।” আসলে, বৈরুতে হেজবুল্লার ঘাঁটিতে হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধ সম্প্রসারিত করার এই পরিকল্পনাকে (Plan) মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছেন না ট্রাম্প। ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় ভয় হলো, এই যুদ্ধের কারণে ইরানের সঙ্গে মার্কিন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও শান্তি আলোচনার (Peace Talks) পরিবেশ সম্পূর্ণ বিগড়ে যেতে পারে।

এই উত্তেজনার আবহেই ৪৪ বছর পর ঐতিহাসিক ‘বেউফোর্ট দুর্গ’ (Beaufort Castle) দখল করেছে ইসরায়েলের বাহিনী। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গত শুক্রবার একটি জরুরি বৈঠকে (Emergency Meeting) বসেছিলেন ট্রাম্প। তবে দীর্ঘক্ষণ চলা সেই বৈঠকেও কোনও স্থায়ী রফাসূত্র মেলেনি। ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আমেরিকার শর্তগুলি ইরান মেনে না চললে তেহরানে পুনরায় অভিযান (Operation) শুরু হতে পারে। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মুখে কড়া হুঁশিয়ারি (Warning) দিলেও ট্রাম্প আসলে যুদ্ধ আর বাড়াতে চান না, কেবল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছেন।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement