কলকাতা
একদিকে চাকরি, অন্যদিকে ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা! প্রতিবাদে নাজেহাল কলকাতাবাসী
নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারের কলকাতা মিছিল নগরী! একদিকে যেমন চলছে চাকরি ফিরে পেতে আন্দোলন-বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। অন্যদিকে চলছে নতুন ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা। প্রতিবাদ মিছিলে অবরুদ্ধ হয়ে গেছে কলকাতার পথ। যান-জট সৃষ্টি হয়েছে জায়গায় জায়গায়। এর ফলে নাজেহাল সাধারণ মানুষ।
আজ বৃহস্পতিবার চাকরিহারাদের পাশাপাশি পথে ওয়াকফ বিরোধীরাও! নয়া ওয়াকফ আইনের বিরোধিতায় সমাবেশ করছে এক ধর্মীয় সংগঠন। আর এর জেরেই কার্যত অবরুদ্ধ গোটা কলকাতা শহর। রাস্তায়-রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরী। রাস্তার দু’পাশে শয়ে শয়ে দাড়িয়ে গাড়ি। মিছিল নগরী কলকাতায় ব্যাহত হয়েছে পরেছে যান চলাচল। এই প্রতিবাদের সচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে মধ্য কলকাতায়।
প্রতিবাদ ও চাকরিহারাদের মিছিল-মিটিংয়ে অবরুদ্ধ শহর কলকাতা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে কলকাতা শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলি। একদিকেসদ্য চাকরিহারানো শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের যোগ্য তালিকা প্রকাশের দাবিতে বিক্ষোভ, অন্যদিকে সংশোধিত ওয়াকফ বিলের প্রতিবাদে জমায়েত। একই দিনে একই শহরে দুই পৃথক কর্মসূচিকে ঘিরে কার্যত জেরবার অবস্থা কলকাতাবাসীর।
আরও পড়ুন – শনিবার ফের চাকরিহারাদের সঙ্গে বৈঠক শিক্ষামন্ত্রীর! বেতন প্রসঙ্গে কি বললেন?
বিশেষত প্রভাব পড়েছে ধর্মতলা, শিয়ালদহ , মৌলালি ও রানী রাসমণি অ্যাভিনিউ এলাকায়। সকাল থেকে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক। মিছিলের জেরে ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে গাড়ি। যেখানে পৌঁছতে ১০ মিনিট সময় লাগে, সেখানে আজ সময় লাগছে ৩০ মিনিট! অনেক ক্ষেত্রে আরও বেশি! এমনি দিন গুলোতেই রাস্তায় যানজট থাকেই, এর মধ্যে জোড়া মিছিলের জেরে কার্যত নাজেহাল কলকাতাবাসি। প্রতিবাদ-মিছিলের মধ্যে আবার ভ্যাপসা গরম। সব মিলিয়ে নাজেহাল আমজনতা।
এদিন বৃহস্পতিবারের মিছিল বিক্ষোভে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খায় কলকাতা পুলিশ। সিগন্যালে দীর্ঘ লাইন তাঁর সঙ্গে সঙ্গে বাসে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ক্ষোভ। এই সব মিলিয়ে শহরের স্বাভাবিক জনজীবনে চরম প্রভাব। স্কুলগামী যাত্রী থেকে শুরু করে অফিসগামী যাত্রী- সকলেই পরিস্থিতির স্বীকার।
আরও পড়ুন – অনশনে চাকরিহারাদের সঙ্গে বিজেপির রুদ্রনীল-অভিজিৎ! সঙ্গে SSC-এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান
