কলকাতা
হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল! আদালতের রায়ে হতাশ চাকরিহারারা, বেতন ফেরতের নির্দেশ
নিউজ ডেস্ক: প্রসঙ্গত, গত বছর ২০২৪-এর এপ্রিল মাসে SSC-র নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মহম্মদ সব্বর রশিদি ও বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।
২০১৬ সালের পুরো প্যানেল অর্থাৎ গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশের সমস্ত নিয়োগ বাতিল করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার সেই রায়ই বহাল রইল সুপ্রিম কোর্টে। আজ ভাগ্য নির্ধারণ হল সেই সব চাকরিহারা প্রার্থীদের।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে শেষ হয় এসএসসি মামলার শুনানি। আজ এই মামলার রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। SSC-মামলার রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ। প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের রায় দিয়েছে আদালত। শুধু তাই নয়, ২০১৬ সাল থেকে সমস্ত চাকরি প্রার্থীদের বেতন ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। SSC-র ২০১৬ সালের নিয়োগের সমস্ত প্যানেলই বাতিল করল সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে হতাশ চাকরিহারারা।
কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও চাকরিহারাদের একাংশ। গত ১০ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে শেষ হয় এসএসসি মামলার শুনানি। অবশেষে বৃহস্পতিবার মামলার রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই রায়ে দিশেহারা চাকরিপ্রার্থীরা।
আরও পড়ুন – দীর্ঘ টাল বাহানার পর অবশেষে লোকসভায় পাশ ওয়াকফ সংশোধনী বিল
এদিন বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার পর্যবেক্ষণ, এসএসসি নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। ২৬ হাজার চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে কারা যোগ্য কারা অযোগ্য তাদের বাছাই করা এখন সম্ভব নয়। কিন্তু, যারা দোষী নন, তারা নতুন করে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, ২০১৬ সালের নিয়োগের সমস্ত প্যানেল বাতিল করা হল। এমনকি যাদের চাকরি বাতিল করা হল, তাদের বেতন ফেরত দিতে হবে এই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এদিকে এই মামলার তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই।
আরও বলা হয়েছে, যারা অন্য সরকারি চাকরি পেয়েছিলেন এবং তা ছেড়ে SSC -র চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা আবার পুরনো দপ্তরে ফিরে যেতে পারবেন। তিন মাসের মধ্যেই তাদের স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে। সুপ্রিম নির্দেশ মতে,যে শূন্যপদগুলি তৈরি হল সেগুলিতে আগামী ৩ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এ ছাড়াও ক্যাবিনেটের বিরুদ্ধে তদন্ত সংক্রান্ত হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশও বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন – ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ! প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক তৃণমূলের
