ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদেহ শনাক্তের নয়া পদ্ধতি, প্রধান ভরসা দাঁত ও ছবি
Connect with us

দুর্ঘটনা

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদেহ শনাক্তের নয়া পদ্ধতি, প্রধান ভরসা দাঁত ও ছবি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ এ যেন রীতিমতো আতঙ্কের অধ্যায়। আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার পর গোটা দেশ যখন শোকস্তব্ধ, তখন আশার আলো শুধু একজন। মর্মান্তিক সেই বিমান দুর্ঘটনায় (Ahmedabad Plane Crash) এখনও পর্যন্ত জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে মাত্র একজনকে। আর তাঁকেই দেখতে শুক্রবার হাসপাতালে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে বিমানে থাকা অধিকাংশ যাত্রীর দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।

তথ্য অনুযায়ী, কেবিন ক্রু-সহ বিমানটিতে মোট ২৪২ জন ছিলেন। একমাত্র ওই যাত্রী ছাড়া আর কেউই বেঁচে নেই বলে মনে করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলির অবস্থা এতটাই বিকৃত যে, তাঁদের শনাক্ত করা কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে। পরিবারের সদস্যরা প্রিয়জনের মৃত্যুর খবর পেয়েও তাঁদের শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না।

আরও পড়ুনঃ টেস্টের আগে ধাক্কা, পারিবারিক কারণে ভারত ফিরছেন গৌতম গম্ভীর

এই পরিস্থিতিতে মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য নতুন পদ্ধতির পথে হাঁটছেন চিকিৎসকরা। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানিয়েছেন, ডিএনএ পরীক্ষাই (DNA Test) মৃতদের পরিচয় নির্ধারণের সবচেয়ে সঠিক পথ। তবে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল হাতে আসতে বেশ সময় লাগে। তাই বিকল্প উপায় হিসেবে এবার এগিয়ে এসেছেন ডেন্টাল বিশেষজ্ঞরা (Dentists)।

Advertisement
ads

আহমেদাবাদ সিভিল হাসপাতালের (Ahmedabad Civil Hospital) চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডিএনএ রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা না করে, মৃতদের দাঁতের গঠন ও ফাঁকা জায়গা দেখে শনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে। মৃতের পরিবারের কাছে থাকা হাসিমাখা ছবি কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকা স্পষ্ট দাঁত-দেখানো ছবির ভিত্তিতে অ্যান্টি মর্টেম রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। এরপর ওই রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে মৃতদেহের দাঁত পরীক্ষা করছেন চিকিৎসকরা।

এই বিশেষ পদ্ধতিতে বৃহস্পতিবার রাত থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৩০টি মৃতদেহের দাঁত পরীক্ষা করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।

বিমান দুর্ঘটনার এমন ভয়াবহ চেহারায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে। পরিবারের কাছে দেহ হস্তান্তরের কাজ যাতে দ্রুত সম্পন্ন হয়, তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারী দল ও চিকিৎসকরা।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement