ভেঙে চুরমার ঘাসফুল শিবির! সংকটকালেও প্রকাশ্যে এসে মমতার পাশে থাকার বার্তা মহুয়ার
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভেঙে চুরমার ঘাসফুল শিবির! সংকটকালেও প্রকাশ্যে এসে মমতার পাশে থাকার বার্তা মহুয়ার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে নজিরবিহীন রাজনৈতিক পালাবদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) আজ ভেঙে চুরমার। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়কের (MLAs) সমর্থন পেয়ে বিধানসভার পরিষদীয় দলের (Parliamentary Party) রাশ এখন দলবদলু নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। অধিকাংশ দাপুটে নেতা ও দীর্ঘদিনের সঙ্গীরা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (General Secretary) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মমতার সঙ্গ ত্যাগ করেছেন।

দলনেত্রীর এই চরম রাজনৈতিক সংকটের (Political Crisis) মুহূর্তে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ব্যাটন ধরলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ (MP) মহুয়া মৈত্র। ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন ‘নতুন তৃণমূল’কে ‘বিজেমূল’ বলে তীব্র তোপ দেগেছেন তিনি। মহুয়ার স্পষ্ট দাবি, এই ৫৮ জন বিধায়ক যা করেছেন তা আসলে সাধারণ মানুষের দেওয়া রায়ের সঙ্গে চরম অন্যায় ও প্রতারণা।

পরিসংখ্যান (Statistics) তুলে ধরে মহুয়া মৈত্র বলেন, নির্বাচনে বিজেপি ভোট পেয়েছে ২ কোটি ৯০ লক্ষ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পেয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষ। বাংলার যে ৮০টি আসনে তৃণমূল জিতেছিল, তা সবটাই মানুষ মমতার মুখ দেখে ভোট দিয়েছিল, সেখানে প্রার্থীদের নিজস্ব কোনও ক্যারিশ্মা (Charisma) ছিল না। দলত্যাগীদের আক্রমণ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যাঁদের যাওয়ার ছিল, তাঁরা বিজেমূল প্রতীকে (Symbol) লড়ে জিতে আসতে পারতেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ব্যবহার করতে হলো কেন?”

Advertisement
ads

বিদ্রোহী বিধায়কদের এই দলবদলের নেপথ্যে কেবলই ব্যক্তিস্বার্থ রয়েছে দাবি করে সাংসদ খোঁচা দিয়ে বলেন, “আসলে ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে নেতাদের চর্বি জমে গিয়েছে। এখন আর বিরোধী আসনে বসে লড়াই করতে ভালো লাগছে না। কারণ, পুলিশ কিংবা বিডিও (BDO) কেউ কথা শুনবে না, সমস্যায় পড়তে হবে। সেই কারণেই ক্ষমতার অলিন্দে থাকা শাসকের (Ruling Party) সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিজেদের সমস্যা শেষ করে নিলেন। এরা নামে বিরোধী থাকল, কিন্তু শাসকের পূর্ণ সমর্থন পাবে।” এই কঠিন পরিস্থিতিতেও মহুয়া মৈত্র স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি অতীতেও মমতার সঙ্গে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।