কলকাতা
সুপ্রিমের রায়ে মন্তব্য! মমতাকে আইনি নোটিশ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার : SSC কান্ড
নিউজ ডেস্ক: গত ৩রা এপ্রিল শীর্ষ আদালতের আঁচড়ে বাংলার প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি বাতিল হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ওপর সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ পাঠালো আত্মদীপ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। আইনজীবীর মাধ্যমে ওই নোটিশ পাঠানো হয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়িতে ও নবান্নে।
আদালত অবমাননার অভিযোগে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ পাঠানো হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন দিল্লির আইনজীবী সিদ্ধার্থ দত্ত।
আইনি নোটিশে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার মন্তব্যের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রতি অবমাননা করেছেন। আরও বলা হয়েছে, আইনগতভাবে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও মমতা বন্দোপাধ্যায় ( আপনি ) সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বাস্তবায়ন করবেন না। যা স্পষ্টতই আপনার দিক থেকে ইচ্ছাকৃত কাজ।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় যে বক্তব্য রেখেছেন, তা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল। তিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন সুপ্রিম কোর্টকে। নোটিশে দাবি করা হয়েছে, আত্মদীপ সংস্থার কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার। এটা না হলে, অন্যথায় তারা আরও আইনি সাহায্য নিতে বাধ্য হবে।
এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। তিনি বলেছেন, শীর্ষ আদালতের মতানুসারে, বাংলার প্রায় ২৬,০০০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মীরা তাদের চাকরি হারিয়েছেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সেই সমস্যার সমাধান করছেন। আমি মনে করি, মমতা বন্দোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন – ধুন্ধুমার মালদায়! জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও বিজেপির
কারণ ব্যাখ্যা করে বলছেন কুনাল ঘোষ, যখন মুখ্যমন্ত্রী ২৬ হাজার চাকরি সমাধানের সমাধানের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, তখন এই সমস্ত আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতে আইনি জটিলতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হতে পারে।
কারণ বিজেপি ও সিপিআইএম এটা চায় না। সেই কারণেই তারা আইনি নোটিশ পাঠিয়ে আইনি হয়রানি তৈরি করার চেষ্টা করছে। কুনাল ঘোষ আরও বলেছেন, এই নোটিশ পাঠিয়ে আদালতে আইনি পরিস্থিতি আরও জটিল তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, তিনি সর্বদাই বিচার বিভাগ এবং বিচারকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু, যদি আদালতের রায়ের কোনও অংশ বিপুল সংখ্যক মানুষকে প্রভাবিত করে, তাদেরকে আঘাত করে, তাই তিনি পুনর্বিবেচনার জন্য সেই রায়ের বিরোধিতা করেন। মমতা বন্দোপাধ্যায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ করেন। বিরোধিতার অর্থ এই নয় যে, আদালতের প্রতি অবমাননা।
আরও পড়ুন – কি আনন্দ আকাশে-বাতাসে! রাস্তায় রুটি বেলতে বেলতে গান মন্ত্রী চন্দ্রিমার
