কলকাতা
ছোটবেলার স্মৃতি গুলো এখন বড্ড মিস করি, বললেন কুনাল ঘোষ
নিউজ ডেস্ক: কথায় আছে বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পার্বন। তাঁর মধ্যে অন্যতম বন হল নববর্ষ। বাঙালির নববর্ষ মানেই নস্ট্যালজিয়া। নতুন নতুন পোশাক, ঘুরতে যাওয়া আর খাওয়া-দাওয়া। হালখাতা-থেকে আড্ডা মজা কড়া হৈহুল্লোড়, সবেতেই মিশে বাঙালির বাঙালিয়ানা। অতীতের স্মৃতিচ্চারণ করে আগামী দিনে নববর্ষের পরিকল্পনা নিয়ে লিখলেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কুনাল ঘোষ।
পয়লা বৈশাখ মানেই বাঙালির বাঙালিয়ানার উদযাপন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিকেই রাজ্যদিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ব্যস্ততা, ছোঁয়া লেগেছে আধুনিকতার, পশ্চিম ঘেঁষা সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি আমরা সবাই। এসবের মধ্যেও শিকড় আঁকড়ে থাকতে আমাদের যা চাই, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল পয়লা বৈশাখ। এর তাৎপর্যই আলাদা।
আমরা বাঙালি, তাই তো আমরা সব অনুষ্ঠানেই মেতে উঠি। আমরা ইদে বিরিয়ানি, বড়দিনে পার্কস্ট্রিট না গেলে মন ভরে না। বা হোক না কোনও চায়না টাউনে গিয়ে চাইনিজ খাওয়া। এদিকে নববর্ষ মানেই বাংলার নানাপদ, বাঙালির নানাপদ। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকে বিভিন্ন জায়গায় ছোটরা শামিল হয়, তাঁর সঙ্গে বড়রাও সামিল হন উৎসবে। সবমিলিয়ে এখন শিকড়কে ধরে রাখার একটা চেষ্টা এই নববর্ষ অর্থাৎ পয়লা বৈশাখ।
আরও পড়ুন – ”পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা” শুভেচ্ছা জানালেন মোদী ও মমতা
এবার নববর্ষ নিয়ে ছোটবেলার স্মৃতিচ্চারণ করলেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কুনাল ঘোষ। কুনাল ঘোষ বলেছেন, ছোটবেলার নববর্ষের যেটা এখন সবচেয়ে মিস করি সেটা হল, চড়কের মেলা। বর্তমানে মেলা আগের তুলনায় অনেকটাই কমে এসেছে। বছরভর নানা মেলা হলেও, তবে এখন পুরো পরিকল্পনাটাই বদলে গিয়েছে।
বিশেষত, আগে একটা গ্রামের ভেতরে, রাস্তার ফুটপাথে বসা মেলা আজ আর নেই। আগে মেলার মধ্যে মাটির পুতুল, খুঁটি, রান্নাবাটি এসব জিনিস যা ভীষণভাবে গরিব মানুষের, যা অতটা অরগানাইজডও হবে না। আগে মেলায় কেউ গান গাইতেন, কেউ অন্য কিছু করতেন, সেটা এখন আর নেই। তাই সুযোগ পেলে এখন একটু পিছিয়ে গিয়ে আয়নায় মুখ দেখতে চাই।
আরও পড়ুন – বাংলার নামে ভুয়ো ছবি প্রচার! রাজ্য বিজেপির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের
