Uncategorized
রাজ্য সঙ্গীতে কোনও শব্দ পরিবর্তন নয়,বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বাংলার মাটি বাংলা জল’ গানটি রাজ্য সঙ্গীতের মর্যাদা পায়। ২০২৩ সালে ‘রাজ্য সঙ্গীত’ এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর করে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় পাশ হয় মুখ্যমন্ত্রীর এই দুই প্রস্তাব।
আগামী পাঁচমাসের মধ্যে ভারতে আসতে চলেছে ক্যানসারের ভ্যাকসিন
পয়লা বৈশাখকে ‘রাজ্য দিবস’ হিসাবে পালন করা হবে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি হবে পশ্চিমবঙ্গের ‘রাজ্য সঙ্গীত’।তবে গানের একটি শব্দ বদলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘বাঙালি’র বদলে শব্দটি ‘বাংলা’ হোক, এমনটাই চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কও তৈরী হয়েছিল। এবার সেই বিতর্কে ইতি পড়ল। নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হল, কোনও শব্দে বদল হচ্ছে না।
পথশিশুর যৌন নির্যাতন,৪০ দিনের মধ্যে অপরাধীর ফাঁসির সাজা দিল আদালত
বিশ্বকবির গানে যা শব্দ ছিল, তাই থাকবে রাজ্য সঙ্গীতেও। অর্থাৎ ‘বাঙালি’ শব্দ রেখেই গাওয়া হহবে রাজ্য সঙ্গীত। নবান্নের জারি করা নয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্য সঙ্গীত সম্পূর্ণ করার জন্য এক মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সঙ্গীত হিসাবে কোন সস্তবকটি গাওয়া হবে তাও মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সঙ্গীত হিসাবে এক মিনিটে গাওয়া হবে-
‘‘বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল
পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান
বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন
এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান।’’
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন,পরিসখ্যানসহ রিপোর্ট প্রকাশ্যে
আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে রবীন্দ্রসঙ্গীতের শব্দ অপরিবর্তিত রাখা হয়। রাজ্য সঙ্গীত চলাকালীন উঠে দাঁড়ানো আবশ্যক নয়, তবে সকলের দাঁড়ানো কাম্য।মঙ্গলবার মুখ্যসচিবের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হয়েছে।
