Connect with us

বিশ্বের খবর

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন,পরিসখ্যানসহ রিপোর্ট প্রকাশ্যে

Dwip Narayan Chakraborty

Published

on

এবার তথ্যপ্রমাণ-সহ প্রকাশ্যে এল বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের রিপোর্ট।সংখ্যালঘু নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর এই রিপোর্ট সামনে এনেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের ৪ ঠা আগস্ট থেকে ৩১ শে ডিসেম্বরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে।

সরকার বদলের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ২০১০ টি সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটে বাংলাদেশে।বাংলাদেশ সরকার স্বীকারও করে নেয়,১৭৬৯ গুলি ঘটনার প্রমাণ তারা পেয়েছে। সেই ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে শুরু হয় মামলাও। তবে মামলার ক্ষেত্রে তেমন তৎপরতা দেখায় নি বাংলাদেশের অর্ন্তবর্তী সরকার।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র ৫ মাসে বাংলাদেশে খুন করা হয়েছে ৩২ জন হিন্দুকে। ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৩ জন সংখ্যালঘু মহিলা।ধ্বংস করা হয়েছে ১৩৩টি মন্দির।লাগাতার এই ঘটনা ঘটলেও উদাসীন থেকেছে ইউনুস প্রশাসন।দুটি ধাপে তৈরী হয়েছেএই রিপোর্ট।

প্রথম ধাপে রিপোর্ট তৈরী রয়েছে ৪ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট। এই সময়কালে খুন হয়েছেন ৯ জন সংখ্যালঘু, ৪ টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং ৯১৫টি বাড়িতে হামলা চালানো হয়,ভাঙচুর করা হয় ৯৫৩টি দোকান এবং ৬৯টি মন্দির। দ্বিতীয় ধাপে ২০ আগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর।২০ আগস্ট উপদেষ্টা সরকার গঠনের পরবর্তী চারমাসে খুন হন ২৩ জন, ধর্ষণের শিকার হন ৯ জন এবং ৬৪টি মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটে।

Advertisement
ads

আরও পড়ুন – চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি,পাকিস্তানে উড়লো না ভারতের পতাকা

সংখ্যালঘুদের গ্রেপ্তার করে যেমন নির্যাতন চালানো হয়েছে তেমনই সরকারি চাকরিরত সংখ্যালঘুদের জোর করে ইস্তফাও দেওয়ানো হয়।সংখ্যালঘু কমিটির রিপোর্টের পাশাপাশি প্রকাশ্যে এসেছে রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত বছর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।

মুলত নিরাপত্তা রক্ষীদের গুলিতেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকে লাগামহীন নির্যাতন চলেছে সংখ্যালঘুদের উপর। অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে দোকানপাট, উপাসনাকেন্দ্র।এই সময়কালে উত্তপ্ত ছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা।রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে আলোড়ন।দেশে গণঅভ্যুত্থানের নামে যে অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করা হয়েছে, দেশে যে নারকীয় ঘটনা ঘটানো হয়েছে তার বিচার হবে।

খুনিদের শাস্তি দিতে ফের বাংলাদেশে ফেরার বার্তা দিয়েছেন দেশত্যাগী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার রাতে বাংলাদেশবাসীর উদ্দেশে ভার্চুয়াল বার্তা দেন আওয়ামি লিগের নেত্রী দেশত্যাগী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।হাসিনা বলেন, ‘ইনশাআল্লা আমি ফিরব, সব হত্যার বিচারও আমি একদিন করব।’

Advertisement
ads

বহিষ্কৃত ১১৬ জন ‘অবৈধ’ ভারতীয় অভিবাসীদের নিয়ে অমৃতসরে মার্কিন সামরিক বিমান

Developer