রায়গঞ্জ
চাকরি বাতিলে শূন্যতা! বিজ্ঞান বিভাগ পুরোপুরি শূন্য রায়গঞ্জের বিন্দোল উচ্চ বিদ্যালয়ে
নিউজ ডেস্ক : দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে গোটা রাজ্যে চাকরী খুইয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মী। চারিদিকে হাহাকার আর হতাশার সুর। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সদ্য চাকরীহারা মানুষজন। আর তার সাথে তারা যে সমস্ত বিদ্যালয়গুলিতে চাকরী করতেন সেখানেও তৈরী হয়েছে তীব্র জটিলতা। বহু বিদ্যালয় থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মীরা চাকরী হারিয়ে বেড়িয়ে গেছেন। সেক্ষেত্রে বিরাট শূন্যতা তৈরী হয়েছে বিদ্যালয়গুলিতে।
রায়গঞ্জ ব্লকের মহারাজা হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা তিন হাজারের কিছুটা বেশী। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে এই বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ১ জন গ্রুপ-ডি কর্মী মিলিয়ে মোট ১১ জন চাকরী হারা হয়েছেন। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৮ জন।
এত বিপুল পরিমাণ ছাত্র-ছাত্রীদের পঠন পাঠন অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে এই সামান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা কিভাবে কাজ করবেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরী বাতিল হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হবে রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং এডুকেশন সাবজেক্টের ক্ষেত্রে। এমনটাই বললেন এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিতেন্দ্রনাথ মাহাতো।
আরও পড়ুন – পাথরপ্রতিমায় কাণ্ডে গ্রেফতার বাজি কারখানার আরেক কর্ণধার তুষার বণিক
একই ছবি রায়গঞ্জ ব্লকের বিন্দোল উচ্চ বিদ্যালয়েও। এই বিদ্যালয়ে আবার চাকরী বাতিলের জেরে বিজ্ঞান বিভাগ পুরোপুরি শূন্য হয়ে পড়ল। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিপ্লব কুমার রায়চৌধুরী বলেন, এই বিদ্যালয়ে মোট ৭ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ১জন গ্রুপ-ডি কর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে।
বর্তমানে শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ জন। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১৯০০। যাকে ঘিরে বিরাট সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের কোন সাবজেক্টের শিক্ষকই আর রইলেন না। এই পরিস্থিতিতে কিভাবে বিদ্যালয়ে এগোবে বুঝে উঠতে পারছেন না ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
আরও পড়ুন – এসএসসি বাতিলের জেরে আর্থিক সংকট, ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মঘাতী শিক্ষিকা
