বিক্ষোভ, গুলি, মৃত্যু— ওয়াকফ আইনে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ, রাজ্যপাল সক্রিয়
Connect with us

দুর্ঘটনা

বিক্ষোভ, গুলি, মৃত্যু— ওয়াকফ আইনে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ, রাজ্যপাল সক্রিয়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে রাজ্যজুড়ে ছড়াচ্ছে অশান্তির আগুন। মুর্শিদাবাদ, সুতি, সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান সহ একাধিক সংবেদনশীল এলাকায় রীতিমতো উত্তপ্ত পরিস্থিতি। রাস্তায় নেমে ট্রেন ও বাস অবরোধ করেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ। পরিস্থিতি যাতে আরও না ঘনায়, সেই কারণে দ্রুত পদক্ষেপে নেমেছে রাজ্য পুলিশ প্রশাসন। রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমার নিজে পৌঁছেছেন অশান্ত এলাকাগুলিতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে।

এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী শনিবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শান্তি ফেরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য না নেওয়ার প্রেক্ষিতে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আর্জি জানান তিনি। হাই কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়।

কলকাতা হাই কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ভিডিও বার্তায় বলেন, “আমি শুনেছি যে অশান্ত এলাকা মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। আমি মনে করি, এসব এলাকায় শান্তি ফেরাতে বাহিনী মোতায়েন অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ। আদালতকে ধন্যবাদ জানাই।” তিনি জানান, মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেছেন। আশা প্রকাশ করেন, শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

আরও পড়ুনঃ ওয়াকফ আইন ঘিরে মুর্শিদাবাদে হিংসা, কেন্দ্রের রিপোর্ট তলব রাজ্যের কাছে

Advertisement
ads

সূত্রের খবর, হাই কোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর ডিজি রাজীব কুমার বিএসএফের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। কোন বিন্যাসে বাহিনী মোতায়েন হবে, সেই বিষয়ে পুলিশ ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা চলবে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।

ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদে আন্দোলন ঘিরে তিনজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। উত্তেজনায় উদ্বিগ্ন হয়ে রাজ্যপাল দেশের বাইরে থেকেও অধীর চৌধুরী ও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। শান্তি রক্ষার বার্তা দেন এবং পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গেও আলোচনা করার চেষ্টা করেন বলে সূত্রের খবর।

অশান্তি ছড়ানোর আশঙ্কায় মুর্শিদাবাদসহ স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে নজরদারি চলছে। রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেও প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য, যে কোনও মূল্যে দ্রুত শান্তি ফেরানো। তবে পরিস্থিতি এখনো থমথমে। স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে আতঙ্কের ছায়া স্পষ্ট।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement