"নন্দীগ্রামের ঋণ আমি শোধ করবই!" ঘরের ছেলে নন্দীগ্রামে পৌঁছাতেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
Connect with us

ভাইরাল খবর

“নন্দীগ্রামের ঋণ আমি শোধ করবই!” ঘরের ছেলে নন্দীগ্রামে পৌঁছাতেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর— দুই কেন্দ্র থেকেই বিপুল ব্যবধানে জয়ের পর নিজের ‘গড়’ নন্দীগ্রামে ফিরলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে এলাকায় পৌঁছাতেই কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ও পুষ্পবৃষ্টিতে জনজোয়ারের (Mass Wave) সৃষ্টি হয়। বজরংবলি মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, আগামী ১ বছরের মধ্যে বাংলার মানুষ প্রকৃত পরিবর্তনের (Real Change) স্বাদ পাবেন।

নন্দীগ্রামবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, “আপনারা আমাকে বারবার বিশ্বাস করেছেন, এই ঋণ আমি শোধ করবই।” বিজেপির শাসনকালে রাজ্যের অগ্রাধিকারের তালিকায় যে বিষয়গুলো থাকবে, তার একটি তালিকাও পেশ করেন তিনি:

  • সংকল্পপত্র (Manifesto): অমিত শাহ ঘোষিত সংকল্পপত্র অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করা হবে।

  • নারী নিরাপত্তা (Women’s Safety): মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে যাতে তাঁরা নির্ভয়ে যে কোনো সময় বাইরে বেরোতে পারেন।

  • কর্মসংস্থান (Employment): সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা হবে এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও বেকার ভাতা (Unemployment Allowance) নিশ্চিত করা হবে।

  • সীমান্ত সুরক্ষা (Border Security): অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়তে বিএসএফ-এর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হবে।

শুভেন্দু হুঙ্কার (Roar) দিয়ে জানান, বিজেপি আগামী ১০০ বছর বাংলা শাসন করবে। তবে কর্মীদের উদ্দেশ্যে তাঁর কড়া নির্দেশ, কেউ যেন আইন (Law and Order) হাতে তুলে না নেন; প্ররোচনা দিলেও আইনি পথেই মোকাবিলা করা হবে। দু’টি আসনে জয়ের ফলে নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন তাঁকে ছাড়তে (Vacate) হবে, তবে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দল যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, তিনি সবসময় নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকবেন। সৌজন্য ও উন্নয়নের মাধ্যমে সিন্ডিকেট রাজ ও তোলাবাজি (Extortion) বন্ধ করাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement