জেলার খবর
জলঙ্গির বিডিও অফিস ভাঙচুর! মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে সরব শুভেন্দু
নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ আইনের বিরোধিতায় হিংসা-প্রতিহিংসা ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলাজুড়ে। পলতে পলতে অশান্তি-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। একেবারে রণক্ষেত্র আকার ধারণ করেছে মুর্শিদাবাদ জেলা। জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে পুলিশের গাড়ি। হামলা চালানো হচ্ছে স্টেশন গুলিতে। রাস্তা-অবরোধ করছেন বিক্ষোভকারীরা। এই অশান্তির মধ্য দিয়েই মুর্শিদাবাদে দেখা গেল অন্য ছবি।
আইন বিরোধী বিক্ষোভের সময় সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ছবি ছড়িয়ে পড়েছি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গীর বিডিও অফিস ভাঙচুর করা হচ্ছে। এবার এই ভিডিও নিজের সমাজ মধ্যমের অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পাশাপাশি তিনি বললেন, রাজ্যে অক্ষম হলে, কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হোক। শুভেন্দু অধিকারী হিংসার ঘটনার ধিক্কার জানিয়ে লিখেছেন, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি বিডিও অফিসে ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সেজে উগ্রপন্থীদের নৃশংস ভাঙচুরের ঘটনায় আমি ক্ষুব্ধ।
এর তীব্র ধিক্কার জানাই আমি। তিনি আরও লিখেছেন, এটা প্রতিবাদ নয়, বরং ইটা পূর্ব পরিকল্পিত হিংসা, শাসনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রর উপর জিহাদিদের তীব্র ক্ষোভ-আক্রমণ। জিহাদিরা আধিপত্য বিস্তার করতে এবং আমাদের সমাজের অন্যান্য সম্প্রদায়ের মনে ভয় ধরাতেই হিংসা ছড়াচ্ছে।
সরকারের সম্পত্তি ও জনসাধারণের সম্পত্তি নষ্ট করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত। নয়া সংশোধনী আইনের প্রতিবাদের নাম করে ভয়-ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে জিহাদিরা। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকারকে বলেছেন শুভেন্দু, এই হামলার ঘটনায় রাজ্য sসরকারের নীরবতা দৃষ্টিকটু লাগছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ধরনের অনাচারে প্রশ্রয়, উস্কানি দিচ্ছেন কেন?
আরও পড়ুন – ভালোবাসার অপরাধে প্রাণ গেল প্রেমিকার, খুনের দায়ে গ্রেফতার বাবা
এই সমস্ত সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের নিন্দায় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার কোনও স্পষ্ট বিবৃতি জারি করছে না কেন? ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি কি পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ? প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এক্ষুনি অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হোক। আইনের কঠোরতম ধারায় এই হামলার ঘটনায় তাদের বিচার করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। আরও বলেন, রাজ্য সরকারের যদি ক্ষমতা না থাকে, তাহলে দয়া করে কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তা নিন।
আরও পড়ুন – কলকাতাকে অবরুদ্ধ করার হুঁশিয়ারী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর! ভাইরাল ভিডিও
