জেলার খবর
রণক্ষেত্র মুর্শিদাবাদ! ওয়াকফ-বিক্ষোভে হিংসা, স্টেশনে ইটবৃষ্টি, আহত পুলিশ
নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের অন্য প্রান্তে নয়া ওয়াকফ সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে তেমন বিক্ষোভ-হিংসা দেখা যায়নি। অনেক জায়গাতেই বিক্ষোভ কেবল নাম মাত্রই হয়েছে। এদিকে উত্তর দিনাজপুর জেলার মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা চরমে উঠলো।
ওয়াকফ আইনের বিক্ষোভে ফের রণক্ষেত্র আকার ধারণ করলো মুর্শিদাবাদ। প্রতিবাদ-বিক্ষোভে ফের হিংসা ছড়ালো। চলন্ত ট্রেনে ছোড়া হচ্ছে পাথর। মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ পরিবর্তন করা হয়েছে। ধুলিয়ানগঙ্গা এবং নিমতিতার মাঝে ট্রেন চলাচল ব্যাহত। গন্ডগোলের জেরে বাতিল দুটি ট্রেন পরিষেবা। ভারতীয় রেলওয়ে জানিয়েছে, নিউ ফরাক্কা-আজিমগঞ্জ রেল সেকশনে ব্যাহত রেল পরিষেবা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিএসএফ জওয়ানদের। হামলা-বিক্ষোভে জখম হয়েছেন ৭-৮জন পুলিশ কর্মী। আহত পুলিশ কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন ফরাক্কার এসডিপিও এবং সামশেরগঞ্জ থানার ওসি।
আরও পড়ুন – ব্রাত্যর সঙ্গে চাকরিহারাদের বৈঠক শেষ! আশ্বাস মিললেও আন্দোলনে অনড়
হিংসার জেরে জঙ্গিপুর এলাকায় বন্ধ থাকছে ইন্টারনেট পরিষেবা। প্রায় ৫০০০ বিক্ষোভকারী রেললাইন দখল করে রেখেছিলেন, ৪২ এবং ৪৩ নম্বর এলসি গেটের কাছে অবস্থান-বিক্ষোভ করছিলেন তারা। বুধবারের হিংসার পরই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল।
গতকাল ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালীন মুর্শিদাবাদে আবারও ছড়ালো হিংসা। নয়া ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। এতে করে হয়তো হন বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী। এর আগে ৩৪ নম্বর জাতীয় সরব অবরোধ করে রাখা হয়েছিল।
পুলিশ তাদের বাধা দিতে গেলে আধিকারিকদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এরপর পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। লাঠিচার্জও করা হয়। দিন দুয়েক আগেও পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। শুধু হামলা নয়, পুলিশের গাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এখনও পরিস্থিতি ভয়াবহ।
আরও পড়ুন – ব্রাত্যর আশ্বাস, অনশনে অনড় ৩ শিক্ষক! ধর্নামঞ্চে ছাউনি টাঙাতে বাধা পুলিশের
