দিল্লিতে শুরু বছরব্যাপী ‘বন্দে মাতরম’ উৎসব, মোদীর হাতে স্মারক মুদ্রা ও ডাকটিকিট প্রকাশ
Connect with us

দেশের খবর

দিল্লিতে শুরু বছরব্যাপী ‘বন্দে মাতরম’ উৎসব, মোদীর হাতে স্মারক মুদ্রা ও ডাকটিকিট প্রকাশ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘বন্দে মাতরম’-এর (Vande Mataram) ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার দিল্লিতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। বছরব্যাপী এই উদযাপনের সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের (Bankim Chandra Chatterjee) ঐতিহাসিক রচনা, প্রকাশ করলেন বিশেষ স্মারক মুদ্রা ও ডাকটিকিট (Commemorative Coin and Postal Stamp)।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে মোদী বলেন, “বন্দে মাতরম আমাদের একতার প্রতীক (Symbol of Unity), যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। আজকের এই দিন দেশবাসীর মনে নতুন উদ্দীপনা (Inspiration) জাগাবে। আমি সকল ভারতবাসীকে অভিনন্দন জানাই।”

তিনি আরও বলেন, এই স্তোত্র (Hymn) ভারতের আত্মপরিচয়ের প্রতিফলন — “যে ভারত শত আঘাত সহ্য করেও আরও দৃঢ় ও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “বন্দে মাতরম-এর মূল অনুভূতি হল ‘ভারত’। এক জাতি হিসেবে আমরা অতীতের প্রতিটি আঘাত সহ্য করেছি, এবং তাতেই আমাদের অমরত্ব লুকিয়ে আছে।”

মোদীর মতে, স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন প্রথম উচ্চারিত হয়েছিল এই গানের (Song) মধ্য দিয়েই। তিনি বলেন, “‘বন্দে মাতরম’ কেবল এক সুর নয়, এটি ভারতের আত্মা ও ভাবধারার প্রতীক (Essence of Indian Spirit)।”

Advertisement
ads

ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮৭৫ সালে নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় নিজের বাড়িতে ‘বন্দে মাতরম’ লিখেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। পরে ‘আনন্দমঠ’ (Anandamath) উপন্যাসে এই গানটি অন্তর্ভুক্ত করেন তিনি। ১৮৮২ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ (Bangadarshan) পত্রিকায় এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ক্রমে এটি হয়ে ওঠে ভারতের স্বাধীনতার মন্ত্র (Mantra of Freedom)। এক সময়ে যখন ইংরেজবিরোধী আন্দোলনে দেশ উত্তাল, তখন এই গানই আন্দোলনে উজ্জীবন এনে দেয়।

শুক্রবার শুরু হওয়া এই উদযাপন চলবে ৭ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।

Advertisement
ads

অন্যদিকে, এই ঐতিহাসিক দিনে বিজেপি (BJP) তুলেছে নতুন অভিযোগ। দলের জাতীয় মুখপাত্র সি.আর. কেসবন (C.R. Kesavan) এক্স (X) হ্যান্ডলে পোস্ট করে দাবি করেছেন, “১৯৩৭ সালে ‘বন্দে মাতরম’-এর কেবল একটি অংশ গ্রহণ করা হয়েছিল, মা দুর্গাকে (Goddess Durga) নিয়ে লেখা অংশগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়।”

বিজেপির আরও দাবি, জওহরলাল নেহরু (Jawaharlal Nehru) সুভাষচন্দ্র বসুকে (Subhas Chandra Bose) লেখা এক চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন যে, এই গানটি সংখ্যালঘুদের (Minorities) রাগাতেই লেখা হয়েছিল। বিজেপির মতে, এটি “ঐতিহাসিক অপরাধ” (Historical Wrong) এবং এই গানটির জাতীয় মর্যাদা (National Significance) ক্ষুণ্ণ করেছেন নেহরু।