দলবিরোধী কাজের অভিযোগ! বিধায়ক ঋতব্রত ও সন্দীপনকে বহিষ্কার করল তৃণমূল
Connect with us

ভাইরাল খবর

দলবিরোধী কাজের অভিযোগ! বিধায়ক ঋতব্রত ও সন্দীপনকে বহিষ্কার করল তৃণমূল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্য রাজনীতিতে এক চরম নাটকীয় মোড়! দলবিরোধী কার্যকলাপের (Anti-party activities) অভিযোগে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার (Expel) করল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই দলের এই সিদ্ধান্তের কথা দুই বিধায়ককে ইমেল (Email) এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপ মারফত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বিধানসভার স্পিকার (Speaker) রথীন্দ্র বসুকেও চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। বহিষ্কারের ফলে এই দুই নেতার বিধায়ক পদ বজায় থাকলেও, তাঁরা আর বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়ক হিসেবে পরিচিতি পাবেন না।

এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বিধানসভার সাম্প্রতিক সই জাল-কাণ্ড। সোমবার দুপুরে নবান্নে আয়োজিত একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেন। তিনি জানান, তৃণমূলের এই দুই বিধায়ক—ঋতব্রত ও সন্দীপনই প্রথম স্পিকারের কাছে সই জালিয়াতির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ (Written complaint) জানিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় (Secretariat) হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করে। শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, পুলিশমন্ত্রী (Police Minister) হিসেবে বিষয়টি জানার পরেই তিনি ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সিআইডি (CID)-কে তদন্তভার নেওয়ার নির্দেশ দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই সাংবাদিক বৈঠক শেষ হওয়ার ঠিক ১৫ মিনিটের মধ্যেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতব্রতর নেতৃত্বে শাসকদলের ভেতরে যে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের একটি জোট বা গোষ্ঠী (Faction) তৈরি হচ্ছিল, এই বহিষ্কারের মাধ্যমে তৃণমূল তা শুরুতেই ভেস্তে দিতে চাইল। এর ফলে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের দল ভারী হলেও ঋতব্রত বা সন্দীপন আর প্রযুক্তিগতভাবে সেই গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিতে পারবেন না, কারণ তাঁরা এখন দলের বাইরে। এই বহিষ্কারের পর ঘাসফুল শিবিরের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে ঘোরে, সেটাই এখন দেখার।

Advertisement
ads