দেশের খবর
নিটের পর সিবিএসই পরীক্ষাতেও ‘দুর্নীতি’! পড়ুয়ার পোস্ট ভাইরাল হতেই ভুল স্বীকার বোর্ডের
ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘নিট’ (NEET) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সিবিএসই (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির খাতা মূল্যায়ন নিয়ে বড়সড় ‘দুর্নীতি’ ও গাফিলতির অভিযোগ সামনে এল। বোর্ডের নতুন ডিজিটাল মূল্যায়ন বা ‘অন-স্ক্রিন মার্কিং’ (OSM) ব্যবস্থার মারাত্মক ত্রুটি সামনে এনেছে খোদ এক ছাত্রের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। অন্যের উত্তরপত্রের (Wrong Answer Sheets) ভিত্তিতে নম্বর দেওয়ার এই ঘটনা প্রকাশ্য আসতেই দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
দিল্লির দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া বেদান্ত শ্রীবাস্তব গত ১৩ মে প্রকাশিত রেজাল্টে পদার্থবিজ্ঞানে (Physics) প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম নম্বর পাওয়ায় উত্তরপত্রের স্ক্যান কপির জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু গত ২৩ মে খাতা হাতে পেয়ে তাঁর চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়। তিনি দেখেন, খাতার হাতের লেখাটি তাঁর নয়, অর্থাৎ তাঁর রোল নম্বরে অন্য কোনো ছাত্রের উত্তরপত্র আপলোড করা হয়েছে। নিজের ইংরেজি ও কম্পিউটার সায়েন্সের খাতার হাতের লেখার সঙ্গে তুলনা টেনে বেদান্ত এই মারাত্মক অসঙ্গতি সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) তুলে ধরেন। এর পরেই শুরু হয় বিতর্ক। বোর্ডের এই বড়সড় গলদ ঢাকা দিতে একদল নেটনাগরিক উল্টে ওই পড়ুয়াকে ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘পাকিস্তানি’ বলে কটাক্ষ করে, যার জেরে সে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করে তীব্র সুর চড়িয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “মোদী-শাহ জুটি আরও একটা সংস্থাকে চুরির প্রতীক বানিয়ে ফেলেছে। ১৭ বছরের একটা বাচ্চা তার কম নম্বর নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিজেপির আইটি সেল তাকে দেশবিরোধী বলছে।”
मोदी-प्रधान की जोड़ी ने एक और संस्था को धांधली का प्रतीक बना दिया।
दशकों में पहली बार CBSE बोर्ड परीक्षा पर इतने गंभीर सवाल उठे हैं। 18.5 लाख बच्चों ने परीक्षा दी – और एक हफ़्ते से OSM, ग़लत मार्किंग और जाँच की गड़बड़ी की शिकायतें अनसुनी पड़ी हैं और शिक्षा मंत्री अपनी कुर्सी से…
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) May 25, 2026
রসায়নের (Chemistry) ক্ষেত্রেও একই রকমের অভিযোগ জমা পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বোর্ডের যুগ্ম সচিব (সমন্বয়) ইমেল মারফত ভুল স্বীকার (Admitted mistake) করে বেদান্তের সঠিক খাতাটি পাঠিয়েছেন এবং প্রাপ্ত নম্বর সংশোধনের (Rectification) আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, সিবিএসই-র পোর্টালের এই প্রযুক্তিগত ত্রুটি (Technical glitch) মেটাতে আইআইটি মাদ্রাজ ও আইআইটি কানপুরের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের (Technology experts) একটি বিশেষ দল নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু বোর্ডের এই চূড়ান্ত অস্বচ্ছতার জেরে আর কত পড়ুয়া এমন কম নম্বরের বোঝা আজীবন বইবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।
