ঘরে ফিরলেন বিশ্বকাপজয়ী উত্তরবঙ্গের কন্যা রিচা ঘোষ, বাগডোগরায় জনতার উচ্ছ্বাসে ভেসে উঠল শহর
Connect with us

খেলার খবর

ঘরে ফিরলেন বিশ্বকাপজয়ী উত্তরবঙ্গের কন্যা রিচা ঘোষ, বাগডোগরায় জনতার উচ্ছ্বাসে ভেসে উঠল শহর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ঘরে ফিরলেন প্রথম মহিলা বিশ্বকাপজয়ী বঙ্গতনয়া (World Cup-winning Bengali Cricketer) রিচা ঘোষ (Richa Ghosh)। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দরে (Bagdogra Airport) পা রাখলেন তিনি। বিমানবন্দরের বাইরে যেন আবেগের বিস্ফোরণ (Emotional Outburst)। ফুলে-সাজানো খোলা হুডের জিপে (Open Jeep) চেপে থাকা রিচাকে দেখতে উপচে পড়া জনতার ভিড়— গোটা শহর যেন পরিণত হল উৎসবে। 

শহরবাসী সকাল থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁদের প্রিয় রিচাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য। শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব (Gautam Deb) নিজে রিচার সঙ্গে পুরো যাত্রাপথে উপস্থিত ছিলেন। এদিন বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও বিশ্বজয়ী ক্রিকেটারকে সংবর্ধনা (Felicitation) জানানো হয়।

বাড়িতেও চলছে উৎসবের প্রস্তুতি। ঘরের মেয়ে ফিরছে, আর তাই সকাল থেকেই ব্যস্ত মা স্বপ্না ঘোষ (Swapna Ghosh)। মেয়ের পছন্দ মতো খাবারের আয়োজন— ভাত, ডাল, শাক-সবজির ভাজা (Rice, Lentils, Fried Vegetables)। তিনি জানান, “রিচার সবচেয়ে প্রিয় খাবার সবজি ভাত। ও ঘরে ফিরছে, তাই ওর প্রিয় রান্নাই করছি।”

সম্প্রতি মহিলাদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে (Women’s ODI World Cup) দুর্দান্ত পারফরম্যান্স (Outstanding Performance) করেছেন রিচা ঘোষ। তাঁর আগুনে ব্যাটিংয়ে (Aggressive Batting) ভর করে এত বছর পর প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় করেছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল (Indian Women’s Cricket Team)। গত ২ নভেম্বর ফাইনাল ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে (South Africa)  হারায় হরমনপ্রীত কৌর (Harmanpreet Kaur) নেতৃত্বাধীন দল। 

Advertisement
ads

ফাইনালে রিচা ঝলমলে ইনিংস (Sparkling Innings) খেলেন। তাঁর এই সাফল্যে শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশ প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Prime Minister Narendra Modi) নিজেও ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই বাঙালি তারকাকে।

বাবা মানবেন্দ্র ঘোষ (Manabendra Ghosh) বলেন, “আমি স্থানীয় পর্যায়ে ক্রিকেট খেলতাম, কিন্তু নিজে বড় হতে পারিনি। তাই চেয়েছিলাম মেয়ে যেন খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকে। প্রথমে ওকে টেবিল টেনিসে (Table Tennis) ভর্তি করেছিলাম, কিন্তু ও চেয়েছিল শারীরিক পরিশ্রমের খেলা। তারপরই ক্রিকেটে (Cricket) নাম। চার বছর বয়সে ক্লাবে ভর্তি হয় রিচা।”

আজ সেই ছোট্ট মেয়েই দেশের গর্ব। তাঁর হাতে উঠেছে বিশ্বকাপ ট্রফি (World Cup Trophy)। শিলিগুড়ির মাটিতে নেমেই তাই জনতার মুখে একটাই স্লোগান — “রিচা মানে গর্ব, রিচা মানে ভারত!”

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement