আগরতলায় ভাঙচুর, হুমকি-হামলার আশঙ্কা নিয়ে ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব
Connect with us

ভাইরাল খবর

আগরতলায় ভাঙচুর, হুমকি-হামলার আশঙ্কা নিয়ে ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাজ্য কার্যালয়ে ভাঙচুর (vandalism) এবং হামলার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি ফের উত্তপ্ত। ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার, যখন আগরতলায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে দুষ্কৃতীরা (miscreants) লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তৃণমূলের পতাকা (flag) ও ফ্লেক্স (flex), যা পরে পার্টি অফিসের সামনেই ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তৃণমূলের অভিযোগ, পুলিশের বাধা সত্ত্বেও হামলাকারীরা থামেনি।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ত্রিপুরার উদ্দেশে রওনা দেন তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন কুণাল ঘোষ, সায়নী ঘোষ, সুদীপ রাহা সহ অন্যান্যরা। বিমানবন্দর থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

তিনি বলেন, “আগেও আমাদের নেতা-নেত্রীদের উপর হামলা (attack) হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। তখনকার অভিজ্ঞতাও ভয়ংকর (horrific)। এখনও নানা ভাবে হুমকি (threat) দেওয়া হচ্ছে।” সেই অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে কুণালবাবু আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এবারে ত্রিপুরা সফরেও হামলা হতে পারে।

Advertisement
ads

প্রতিনিধি দলে থাকা তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষ বলেন, “এভাবে আমাদের দমন করা যাবে না। ত্রিপুরার কর্মীদের পাশে আমরা ছিলাম, আছি, থাকব।”

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ (X) তৃণমূলের পক্ষ থেকে লেখা হয়,
“ত্রিপুরা কার্যালয়ে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের নৃশংস হামলা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আঘাত (direct attack on democracy)। ক্ষমতাসীনরা বিরোধীদের স্তব্ধ করতে হিংসাকে হাতিয়ার করছে। তারা শক্তি দেখাতে নয়, নিজেদের ভয় ও নৈতিক দেউলিয়াতা (moral bankruptcy) প্রকাশ করেই এমন করছে।”

তৃণমূলের বক্তব্য, বিজেপির এই পরিকল্পিত অত্যাচারে (oppression) তাদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। তারা বলেছে, যতই হামলা হোক, ভয় দেখানো হোক, ত্রিপুরা-সহ সর্বত্র তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

Advertisement
ads