ভাইরাল খবর
বিদ্রোহের জেরে কড়া পদক্ষেপ! তৃণমূলের সব শাখা-সংগঠন ভেঙে দিলেন মমতা
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) ফলপ্রকাশের মাত্র এক মাসের মধ্যেই নজিরবিহীন মহাবিদ্রোহের জেরে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল একসময়ের অপরাজেয় রাজনৈতিক শক্তি তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার বিধানসভায় ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়কের সই সম্বলিত চিঠি নিয়ে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে হাজির হন বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। ওই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘নেত্রী’ মানলেও, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি পরোক্ষ অনাস্থা প্রকাশ করে পরিষদীয় দলনেতা (Legislative Party Leader) হিসেবে ঋতব্রতের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
After careful consideration, it has been decided that all committees of the All India Trinamool Congress in West Bengal, as well as all its frontal organisations, shall stand dissolved with immediate effect.
The party will undertake a comprehensive exercise of introspection,…
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) June 3, 2026
এই চরম অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ (Internal Rebellion) ও ডামাডোল সামাল দিতে বুধবার দুপুরে এক বেনজির অল-আউট পদক্ষেপ গ্রহণ করল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) একটি পোস্ট করে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের মূল দলসহ সমস্ত স্তরের কার্যনির্বাহী কমিটি ও শাখা সংগঠনগুলি (Frontal Organisations) অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া হলো। এর ফলে রাতারাতি তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (TMCP), যুব তৃণমূল (TMYC), মহিলা কমিটি এবং আইএনটিটিইউসি (INTTUC) অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘মেজর সার্জারি’-র জেরে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের (General Secretary) পদটিও কার্যত ইতিহাস হয়ে গেল।
দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, গভীর আত্মবিশ্লেষণ (Introspection) ও কাজের মূল্যায়নের (Performance Review) রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন করে সংগঠন ঢেলে সাজানো হবে। তবে ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) নিয়ম অনুযায়ী, সব কমিটি একযোগে বিলুপ্ত করার ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বভারতীয় সভাপতি পদের বৈধতা নিয়েও আইনি প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
