"কম ফিতে পড়ানোই কি অপরাধ?" কোচিং মাফিয়াদের নিশানায় জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যার
Connect with us

ভাইরাল খবর

“কম ফিতে পড়ানোই কি অপরাধ?” কোচিং মাফিয়াদের নিশানায় জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিহারের রাজধানী পাটনার (Patna) মুসাল্লাপুর হাট (Musallahpur Hat) এলাকায় জনপ্রিয় শিক্ষক ও ইউটিউবার (YouTuber) খান স্যর (Khan Sir)-এর কোচিং সেন্টারের বাইরে হামলা ও গুলির অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এক নিরাপত্তারক্ষী (Security Guard) আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খান স্যরের অভিযোগ, কয়েকজন দুষ্কৃতী কোচিং সেন্টারে ঢুকে ভাঙচুর (Vandalism) চালায় এবং নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করে। তিনি দাবি করেন, হামলার সময় ৮ থেকে ১০ রাউন্ড গুলির শব্দও শোনা যায়। যদিও পাটনা পুলিশ এখনও পর্যন্ত গুলিচালনার ঘটনা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

ঘটনার পর খান স্যার অভিযোগ করেন, কম খরচে গরিব ও মধ্যবিত্ত ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দেওয়ার কারণেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে হুমকির মুখে ছিলেন। তাঁর দাবি, কয়েকদিন আগেই কিছু ব্যক্তি কোচিং সেন্টার উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। পাশাপাশি তিনি ইঙ্গিত দেন যে, প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং প্রতিষ্ঠানের (Coaching Institute) সঙ্গে এই ঘটনার যোগ থাকতে পারে। তবে কোনও নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম তিনি প্রকাশ করেননি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাটনার এসএসপি (SSP) কার্তিকেয় কে. শর্মা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে এবং সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

Advertisement
ads

এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকালে বহু ছাত্রছাত্রী কোচিং সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ (Protest) দেখান। তাঁদের দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে এবং কোচিং সেন্টারের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালেও খান স্যরের কোচিং সেন্টারকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ফলে নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত (Investigation) চলছে।

Continue Reading
Advertisement