দেশের খবর
সোমে দিল্লিতে সুকান্তর বাসভবনে বৈঠকে শুভেন্দু! জোর জল্পনা
নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতি নির্বাচন মাত্র আর কয়েক দিনের মধ্যেই হয়ে যেতে পারে। তাই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছেন, রাজ্য সভাপতি নির্বাচন হওয়ার আগেই রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষনেতা পরস্পরের সঙ্গে বৈঠকে বসুক এবং নিজেদের মধ্যে সমন্বয় যাতে বাড়িয়ে নেয়।
সেই মতো আজ অর্থাৎ সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির সুকান্ত সদনে বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে অন্যান্য সাংসদের কেও । বৈঠকে মূলত কথা হবে সমন্বয় বৃদ্ধি নিয়ে। রাজ্য সভাপতি নির্বাচন আর কয়েক দিনের মধ্যেই হয়ে যেতে পারে।
তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছেন, তার আগেই রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষনেতা পরস্পরের সঙ্গে বৈঠকে বসুক এবং নিজেদের মধ্যে সমন্বয় যাতে বাড়িয়ে নেয়। বঙ্গ বিজেপির পরবর্তী মেয়াদের রাজ্য সভাপতি নির্বাচনের মুখে সুকান্ত মজুমদারের দিল্লির বাড়িতে আজ বৈঠক করবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তবে কেন হঠাৎ সুকান্তর নয়াদিল্লির বাসভবনে সাংসদের নিয়ে রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষনেতার বৈঠক? এনিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে আবার বৈঠক নিয়ে কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিক ভাবে মুখ খোলেনি। কিন্তু বিজেপি সূত্রের খবর, বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে সাংসদদের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, তার রূপরেখা এই বৈঠকে নির্ধারিত হতে পারে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাংসদরা নিজের এলাকায় কী কী ধরনের কর্মসূচি নিতে পারেন, বিধায়কেরা নিজের নিজের নির্বাচনী এলাকা নিয়ে ব্যস্ত থাকাকালীন সাংসদরা কী ভাবে সংগঠনকে সাহায্য করতে পারেন, দিল্লিতে থাকাকালীন নির্বাচন কমিশনের কাছে নিয়মিত বঙ্গ বিজেপির বক্তব্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সাংসদরা কোনও ভূমিকা নিতে পারেন কি না, তা নিয়েও এই বৈঠকে কথা হতে পারে।
রামনবমী পালনের রূপরেখা নিয়েও বিশেষ ভাবে আলোচনা হতে পারে সোমবারের বৈঠকে। জানতে পারা যাচ্ছে, সোমবারের বৈঠকে কোনও কেন্দ্রীয় নেতা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন না। বৈঠক শেষে নৈশভোজেও আদ্যোপান্ত বাঙালি আহার। তাঁর জন্য সুকান্ত নিজে খুঁজে নিয়েছেন বাঙালি কেটারার এবং বাঙালি রাঁধুনিও।
আরও পড়ুন – মার্চের শেষসপ্তাহান্তে পশ্চিমবঙ্গ সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
তবে প্রশ্ন, বাংলার ভোটের রণকৌশল নিয়ে দিল্লিতে আলোচনা কেন? কলকাতাতেও দলের সকল সাংসদদের নিয়ে রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষনেতা বৈঠক করতে পারতেন। এবিষয়ে বিজেপি সূত্রের বক্তব্য, দিল্লিতে বৈঠক হওয়ার মূল কারণ হল সংসদের অধিবেশন।
সুকান্ত মজুমদার নিজেও রয়েছেন দিল্লিতে এবং দলের অন্য সাংসদরা যেহেতু অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লিতে রয়েছেন তাই দিল্লিতেই বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বৈঠক হলে সোমবার সন্ধ্যায় আবার সকলকে কলকাতা ফিরতে হত। তারপর আবার মঙ্গলবার ভোরে দিল্লি ছুটতে হত। অথবা বৈঠকের জন্য সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হত। এদিকে শুভেন্দুকে দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানিয়ে সোমবারই বৈঠক করে নেওয়া সুবিধাজনক বলেই মনে করছেন সুকান্ত মজুমদার। তাই দিল্লিতেই ডাকা হয়েছে বৈঠক।
আরও পড়ুন – নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রমাণ লোপাটের ছক! সিবিআই চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর তথ্য
