বিশ্বের খবর
ব্রিটেনে বড় রাজনৈতিক পালাবদল! ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম
ডিজিটাল ডেস্কঃ ব্রিটেনের (Britain) রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি (Labour Party)-র নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহাম (Andy Burnham)। এর ফলে আগামী সোমবার তিনি দেশের ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে চলেছেন। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের (Greater Manchester) বিদায়ী মেয়র বার্নহাম দায়িত্ব গ্রহণের আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর স্পষ্ট পরিকল্পনা (Plan) রয়েছে। তাঁর কথায়, “I Have a Plan”। পাশাপাশি শপথের আগেই নতুন মন্ত্রিসভা (Cabinet) চূড়ান্ত করার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।
গত ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির নেতা পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। এরপর থেকেই ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়। স্টার্মারের পদত্যাগের কয়েক দিন আগেই উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে হাউস অফ কমন্স (House of Commons)-এ প্রবেশ করেন বার্নহাম। পরে লেবার পার্টির বিশেষ সম্মেলনে ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি (NEC)-র চেয়ারপার্সন শাবানা মাহমুদ তাঁর নাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলের নেতা হিসেবে ঘোষণা করেন।
নেতৃত্ব গ্রহণের পর প্রথম ভাষণেই বার্নহাম পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেন। সেগুলি হল—দলীয় ঐক্য বজায় রাখা, নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা, লেবারের আদর্শগত ভিত্তি শক্তিশালী করা, আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ (Devolution) নিশ্চিত করা।
২০১৬ সালের পর থেকে ব্রিটেনের ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট (10 Downing Street)-এ একাধিক নেতৃত্ব পরিবর্তনের সাক্ষী থেকেছে দেশ। ডেভিড ক্যামেরন, টেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনক এবং কিয়ের স্টার্মারের পর এবার অ্যান্ডি বার্নহামের কাঁধে ব্রিটেনকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব। এখন দেখার, তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনা দেশের প্রশাসন ও রাজনীতিতে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
