ক্লাসরুমে সেভেনের ছাত্রীর সিঁথিতে ‘সিঁদুর’ দান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে উত্তাল স্কুল, নড়েচড়ে বসল স্কুল
Connect with us

দক্ষিণ দিনাজপুর

ক্লাসরুমে সেভেনের ছাত্রীর সিঁথিতে ‘সিঁদুর’ দান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে উত্তাল স্কুল, নড়েচড়ে বসল স্কুল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ সচেতনতার অভাব এবং নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির জেরে বর্তমান সামাজিক অবক্ষয় (social degradation) কোন স্তরে গিয়ে পৌঁছেছে, তার এক উদ্বেগজনক প্রমাণ মিলল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের নয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে। স্কুলের মতো পবিত্র বিদ্যার পীঠস্থানকে রসিকতার জায়গা বানিয়ে ফাঁকা ক্লাসরুমে এক ছাত্রীর সিঁথিতে ‘সিঁদুর’ পরিয়ে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে (social media) মারাত্মকভাবে ভাইরাল (viral) হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। (ভিডিও এর সত্যতা যাচাই করেনি আর সি টিভি সংবাদ)

জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছিল গত জুন মাসের ২৭ বা ২৮ তারিখ নাগাদ, যখন স্কুলে প্রাতঃকালীন পঠনপাঠন অর্থাৎ মর্নিং স্কুল (morning school) চলছিল। স্কুল ছুটির পর শিক্ষক ও অধিকাংশ পড়ুয়ারা চলে গেলে, একাদশ শ্রেণির এক ছাত্র এবং সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীসহ কয়েকজন একটি শ্রেণিকক্ষে (classroom) জড়ো হয়। সেখানে ওই ছাত্রটি ছাত্রীর সিঁথিতে কিছু একটা পরিয়ে দেয় এবং অন্য এক সহপাঠী মোবাইল ক্যামেরায় সেই মুহূর্তটি রেকর্ড (record) করে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিডিওতে যেটিকে সিঁদুর বলে মনে হচ্ছে, সেটি আসলে সিঁদুর নয়, বরং তা ছিল রং। আর ওই ভিডিও বানানো হয়েছিল শুধু মাত্র কন্টেন্ট এর জন্য। 

ঘটনাটি জানাজানি হতেই স্কুলের সামনে অভিভাবকদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। চাপের মুখে পড়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত সক্রিয় হয়। স্কুলের টিআইসি (TIC) বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ব্রজেন্দ্রনাথ রায় জানান, ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত দুই পড়ুয়াসহ সেখানে উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা (disciplinary action) নেওয়া হয়েছে। তাদের কয়েক মাসের জন্য স্কুলে আসা নিষিদ্ধ বা সাসপেন্ড (suspended) করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা (internal discipline) বজায় রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা (moral education) জোরদার করতে শুক্রবার স্কুলের প্রাক্তন পড়ুয়া ও অভিভাবকদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক (meeting) ডাকা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে, বিদ্যালয়ের সুনামে দাগ লাগানো এই ধরণের নিন্দনীয় ঘটনা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

Continue Reading
Advertisement ads