Connect with us

রাজনীতি

‘২০১১ সালে রবীন্দ্রনাথ জাতীয় সংগীত লেখেন!’— ইতিহাস বিকৃতি করে বিতর্কে তৃণমূল নেতা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলা ভাষা নিয়ে সভা করতে গিয়ে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে তীব্র বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল (TMC) নেতা নারায়ণ চন্দ্র পাঁজা (Narayan Chandra Paja)। হুগলির গোঘাটে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি দাবি করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) ২০১১ সালে জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’ রচনা করেন! এমনকি ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ কবিতাও নাকি রবীন্দ্রনাথ নিজে লিখেছেন।

এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। বিরোধীরা প্রশ্ন তোলে, ইতিহাস না জেনেই কীভাবে এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন শাসক দলের জনপ্রতিনিধি?

বিতর্কের মুখে পড়ে নারায়ণ পাঁজা বলেন, “আসলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনেক সময় সালের গণ্ডগোল হয়ে যায়। আমি প্রথমে ২০১১ বললেও পরে ১৯১১ বলেছি। আর ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ নজরুলের লেখা, তবে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথ তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। মানুষ তো, ভুল হতেই পারে।” তিনি আরও দাবি করেন, বক্তব্য ছিল আবেগপ্রবণ, তাই ভুলক্রমে ‘রচয়িতা’ শব্দটি উচ্চারিত হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘অপারেশন মহাদেব’-এ বড় সাফল্য, পহেলগাম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ৩ জঙ্গি খতম

Advertisement
ads

তবে বিজেপি নেত্রী দোলন দাস (Dolon Das) এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “যারা রবীন্দ্রনাথের রচনার সাল জানেন না, তাঁরা আবার বাংলা ভাষা রক্ষার কথা বলছেন! এটা বাংলার লজ্জা।”

সিপিএম নেতা বলেন, “তৃণমূল নেত্রীর খুশি করতে গিয়ে এমন বিকৃত ইতিহাস বলছেন। বাংলার সংস্কৃতি, রবীন্দ্রনাথ, এমনকি জাতীয় সংগীত— কোনও কিছুরই সুরক্ষা নেই তৃণমূলের হাতে।”

বিতর্কের জল ক্রমেই গড়াচ্ছে গভীরে। ইতিহাস নিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement