পহেলগাঁও হামলায় বড় সাফল্য, জঙ্গিদের সহায়তাকারী ধরা পড়ল কাশ্মীরে
Connect with us

দেশের খবর

পহেলগাঁও হামলায় বড় সাফল্য, জঙ্গিদের সহায়তাকারী ধরা পড়ল কাশ্মীরে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরের পহেলগাঁও (Pahalgam) হামলায় বড় সাফল্য পেল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। ওই জঙ্গি হামলায় ধর্ম জিজ্ঞেস করে পর্যটকদের হত্যা করা হয়েছিল। এবার সেই ঘটনায় জঙ্গিদের লজিস্টিক সহায়তা (logistic support) প্রদানকারী এক স্থানীয় যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম মহম্মদ কাটারি (Mohammad Katari)

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে চালানো অপারেশন মহাদেব (Operation Mahadev)-এর সময় উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও সরঞ্জামের ফরেনসিক (forensic) তদন্তেই ধৃতের নাম উঠে আসে। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। খুব শীঘ্রই ধৃতকে আদালতে (court) পেশ করা হবে এবং বিচারবিভাগীয় হেফাজতে (judicial custody) পাঠানোর আবেদন জানাবে পুলিশ।

গত ২২ এপ্রিল, কাশ্মীরের পহেলগাঁও এলাকায় ধর্ম জিজ্ঞাসা করে কিছু নিরীহ পর্যটকদের উপর নির্মম হামলা চালিয়েছিল এক জঙ্গি দল। তাদের মধ্যে অন্যতম সদস্য ছিল সুলেমান শাহ (Suleman Shah), যে এক সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এলিট ইউনিট (Pak Army Elite Unit)-এর কমান্ডো ছিল এবং পরে লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba)-তে যোগ দেয়।

Advertisement
ads

জানা যায়, হামলার পর জঙ্গিরা গা ঢাকা দিয়ে মহাদেব পাহাড়ের জঙ্গলে আশ্রয় নেয় এবং সেখানে টি৮২ আল্ট্রাস্যাট কমিউনিকেশন ডিভাইস (T82 Ultrasat Communication Device) সক্রিয় করে। এটি এক ধরনের স্যাটেলাইট ফোন (satellite phone), যা দিয়ে তারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করছিল। সেনাবাহিনী এই সিগন্যাল ট্র্যাক করে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ফেলে।

গত ২৮ জুলাই সকাল ৮টা নাগাদ সেনার একটি ড্রোনের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই রাষ্ট্রীয় রাইফেলস (Rashtriya Rifles) এবং প্যারা স্পেশাল ফোর্স (Para Special Forces) অভিযান শুরু করে।

  • সকাল ১১টা নাগাদ সেনা গুলি চালায়

  • ৪৫ মিনিটের মধ্যেই প্রথম জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়

  • এরপর প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা ঘিরে ফেলে বাকি জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়

  • আরও দু’জন জঙ্গিকে খতম করা হয়

এই অভিযানে সুলেমান শাহ-সহ পহেলগাঁও হামলায় যুক্ত একাধিক জঙ্গিকে নিকেশ করে সেনা।

এই অভিযানের পর উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও সরঞ্জাম ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে উঠে আসে মহম্মদ কাটারির নাম, যিনি হামলাকারী জঙ্গিদের সরঞ্জাম, খাবার ও আশ্রয় দিতে সহায়তা করেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের কাজ এখনও চলছে এবং আরও গ্রেফতার হতে পারে।

Advertisement
ads