প্রতারণা
পহেলগাঁও হামলার দুই মাস পর বড় সাফল্য, লস্কর জঙ্গি গ্রেপ্তার করল NIA
ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগাঁও (Pahalgam) জঙ্গি হামলার দুই মাস পর বড় সাফল্য পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। এই ভয়াবহ হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। সংস্থার দাবি, ধৃতরা হামলার মূল জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা এবং পরিকল্পনার সক্রিয় সহযোগী ছিল।
এনআইএর (NIA) তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পহেলগাঁও হামলার তদন্তে এবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কাশ্মীরের হিলপার্ক (Hillpark) এলাকায় সশস্ত্র জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করেছিল ধৃতরা।
আরও পড়ুনঃ পালাতে শুরু করেছেন খামেনেই? মৃত্যুভয়ে বাঙ্কারে বসে ইরানের উত্তরসূরি ঠিক করলেন
গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গির নাম পারভেজ আহমেদ জোঠার (Parvez Ahmed Jothar) এবং বসির আহমেদ জোঠার (Basir Ahmed Jothar)। প্রথমজন কাশ্মীরের বাতকোট (Batkot) এলাকার বাসিন্দা, দ্বিতীয়জন হিলপার্ক এলাকার। তদন্তে উঠে এসেছে, পহেলগাঁওয়ের হিলপার্ক অঞ্চলে এক নির্জন এলাকায় কুঁড়ে ঘর বানিয়ে সেখানে তিন জন লস্কর জঙ্গিকে আশ্রয় দিয়েছিল এই দুই অভিযুক্ত। জঙ্গিদের থাকার, খাওয়ার এবং অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তার সম্পূর্ণ দায়িত্বে ছিল তারা।
এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, যদিও ওই দুই জঙ্গির দীর্ঘদিনের বাস কাশ্মীরে, তারা আসলে পাকিস্তানের নাগরিক। দু’জনেই লস্কর-ই-তৈবার সক্রিয় সদস্য। ভারতে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা নিয়েই বহু আগেই কাশ্মীরে এসে আস্তানা গেড়ে ছিল তারা।
তদন্তকারীদের আশা, এই দুই জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পহেলগাঁও হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের খোঁজ মেলার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ হামলার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও হামলার মূল অভিযুক্তরা ফেরার। ইতিমধ্যেই কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি অভিযানে লস্কর জঙ্গিদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) অভিযান চালিয়ে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি শিবির ধ্বংস করা হয়েছে।
তবুও এখনও পর্যন্ত মূল হামলাকারীদের গ্রেপ্তার বা নিকেশ করা সম্ভব হয়নি। তবে এনআইএ’র আশাবাদ, ধৃতদের জেরা করে পহেলগাঁও হামলার রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত হবে।
