মালদা
জমি নিয়ে বিবাদ, বন্ধ হল চলাচলের রাস্তা
নিউজ ডেস্ক , ২৭ নভেম্বর : আদালতের নির্দেশকে অমান্য করে জমি দখল। আর তারপরেই বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হল বাড়ির প্রবেশের রাস্তা। এঘটনায় অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে পঞ্চায়েত সদস্যের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে সোমবার উত্তেজনা ছড়ালো মালদার চাঁচলের অলিহন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবীগঞ্জ গ্রামে।
প -এ প্রবন্ধ, স্বীকৃতিলাভ ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসের
জমি নিয়ে বিবাদে আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো পঞ্চায়েত সদস্যের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ালো মালদার চাঁচলের অলিহন্ডা পঞ্চায়েতের দেবীগঞ্জ গ্রামে। জানা গিয়েছে, গত অক্টোবর মাসে এলাকার বাসিন্দা বৈদ্যনাথ সাহা তার জমি বিক্রি করেন স্থানীয় উমেশ সাহা, দেবেন দিশি সহ বেশ কয়েকজনকে।
প্রকাশ্য রাস্তায় মদ্যপান, আটক ৩ যুবক
কিন্তু পারবারিক বন্টননামা অনুযায়ী বৈদ্যনাথ সাহার ভাগের জমির পরিবর্তে অন্য জায়গা দখল করে বলে অভিযোগ। এরপরই ১১ অক্টোবর জমি নিয়ে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্যে আদালতের দ্বারস্থ হন রমেশ সাহা ও তার দুই ভাইপো। আদালতের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত, জায়গা হস্তান্তরের ওপর স্থগিতাদেশ জারী করে আদালত। সেইমত ১৬ই অক্টোবর জায়গা ফিরিয়ে নেন রমেশ সাহা ও তার দুই ভাইপো। এরপরই সোমবার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মূল ফটকের সামনের কংক্রীটের রাস্তা ভেঙে বাঁশের বেড়া দিয়ে জমি দখল করে তাদের আটকে দেয় ক্রেতা উমেশ সাহা সহ অন্যান্যরা।জমি দখল করতে স্থানীয় বাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী তথা জমি ক্রেতা নজিমুল হক সহযোগিতা করে বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে পিন্টু সাহার আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জমিটির ক্রেতা উমেশ সাহা। যদিও তারা নিজেদের ক্রয় করা জমি বেড়া দিয়ে ঘিরেছেন বলে দাবী করেছেন উমেশ সাহা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।অলিহন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমুল সভাপতি ফিরোজ চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, বাপন সাহা তৃণমূল কর্মী। সেজন্যই বাম জোটের লোকেরা জোর করে তাদের জায়গা দখল করে গোলমালের সৃষ্টি করছে। যদিও সিপিএমের লোকাল কমিটির সদস্য টিপু সুলতান রাজনীতির যোগের অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণই পারিবারিক বিবাদ। আইনভঙ্গ করাভ হলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।
বাইট- সিপিএমের লোকাল কমিটির সদস্য টিপু সুলতান
