‘ডাকাতি করে ধরা পড়া বিজেপি নেতা’, কসবা-কাণ্ডের মাঝেই পাল্টা অভিযোগ তুলে ভিডিও প্রকাশ তৃণমূলের
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘ডাকাতি করে ধরা পড়া বিজেপি নেতা’, কসবা-কাণ্ডের মাঝেই পাল্টা অভিযোগ তুলে ভিডিও প্রকাশ তৃণমূলের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কসবা ল কলেজে (Kasba Law College) এক আইনের ছাত্রীর উপর গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে রাজ্যে যখন প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে, সেই সময় পাল্টা চাপ তৈরি করতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। শনিবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে পালটা অভিযোগ তুলে ধরল ঘাসফুল শিবির। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) দাবি করেন, পশ্চিম মেদিনীপুরের এক বিজেপি যুবনেতা ডাকাতির চেষ্টায় ধরা পড়েছেন এবং তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে।

কুণাল ঘোষ জানান, অভিযুক্ত যুবনেতার নাম সোমনাথ সাউ (Somnath Sahu)। তিনি মেদিনীপুর শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং বিজেপির যুব শাখার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী। তাঁর স্ত্রী ছিলেন বিজেপির প্রার্থীও। কুণালের অভিযোগ, সোমনাথ সম্প্রতি ওড়িশা সীমান্তে এক সোনার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা করার সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন এবং তার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে রয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে সেই ফুটেজও দেখানো হয়।

আরও পড়ুনঃ ‘শান্তিপূর্ণ’ মিছিলে বাধা! কসবা ধর্ষণ কাণ্ডে গড়িয়াহাটে উত্তপ্ত বিজেপি-পুলিশ সংঘর্ষ

এরপর কুণাল দেখান সোমনাথের সঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder), সাংসদ হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং নেতা ইন্দ্রনীল খাঁয়ের একাধিক ছবি। এই প্রসঙ্গে কুণালের প্রশ্ন, “সোমনাথ ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে, তাহলে তার সঙ্গে বিজেপি নেতাদের এই ঘনিষ্ঠতা কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন সুকান্তবাবু? শেয়ার পেয়েছিলেন নাকি?”

Advertisement
ads

তৃণমূলের দাবি, কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই, আর যদি পুরনো কোনও ছবি থাকে, তা তুলে ধরেই দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। তৃণমূলের দাবি, অভিযোগ পাওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে।

রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা (Shashi Panja) বলেন, “এই ধরনের ঘটনাকে আমরা কোনওভাবেই প্রশ্রয় দিই না। দোষী প্রমাণ হলে কড়া শাস্তি হোক, সেটাই চাই। কিন্তু বিজেপি যেন মুখে এক কথা বলে আর নিজে আরেক রকম কাজ না করে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলায় ধর্ষকদের মালা পরানো হয় না বা মিষ্টিমুখ করানো হয় না। অন্যান্য রাজ্যে কী হয়, তা দেশের মানুষ জানেন।”

সোমনাথকে ঘিরে ফুটে উঠছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক, যার জেরে কসবা-কাণ্ডে আরও জটিল হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক সমীকরণ।

Advertisement
ads