ভাইরাল খবর
‘শান্তিপূর্ণ’ মিছিলে বাধা! কসবা ধর্ষণ কাণ্ডে গড়িয়াহাটে উত্তপ্ত বিজেপি-পুলিশ সংঘর্ষ
ডিজিটাল ডেস্কঃ কসবা ল কলেজে (Kasba Law College) এক ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে রাজ্যজুড়ে উত্তাল রাজনীতি। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার কলকাতার রাস্তায় নামল বিজেপি (BJP)। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder) নেতৃত্বে আয়োজিত মিছিল গড়িয়াহাট এলাকায় পৌঁছতেই পুলিশ বাধা দেয়। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়, এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি বেগতিক হয়ে উঠলে পুলিশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে।
বিজেপির অভিযোগ, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ মিছিল করছিলেন। কিন্তু পুলিশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তা থামানোর চেষ্টা করে। দলের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এই ঘটনায় রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গড়িয়াহাট চত্বর। যান চলাচল ব্যাহত হয়, সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরও পড়ুনঃ “বাংলায় বলাই কাল!” দিল্লিতে বাংলাদেশি সন্দেহে আটকে দিনহাটার ৭ বাসিন্দা
উল্লেখ্য, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী কলেজ চত্বরেই গণধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, তাঁকে টিএমসিপি ইউনিট সভানেত্রী হওয়ার প্রস্তাব দিয়ে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রত্যাখ্যান করায় গার্ড রুমে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, “এই অপরাধমূলক ঘটনার পেছনে রয়েছে শাসকদলের ছত্রছায়া। তৃণমূল নেতাদের মদতেই এমন ঘটনা ঘটে চলেছে। প্রশাসন নিরপেক্ষ নয়, বরং শাসকদলের হয়ে কাজ করছে।” সুকান্ত মজুমদার বলেন, “তৃণমূলের অন্যায়, দুর্নীতি আর অপরাধের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলে পুলিশ বাধা দেয়। কারণ তারা দলদাসে পরিণত হয়েছে।”
তবে পুলিশ জানায়, মিছিলের কোনও অনুমতি ছিল না। আইনশৃঙ্খলার সম্ভাব্য অবনতি ঠেকাতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যদিও বিজেপির হুঁশিয়ারি, “যত দিন না দোষীরা কঠোরতম সাজা পায়, রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলবে।”
