নিক্কির মৃত্যুর পর এবার পণের অভিযোগে কাঠগড়ায় তাঁরই পরিবার, বিস্ফোরক দাবি বৌদির
Connect with us

খুন

নিক্কির মৃত্যুর পর এবার পণের অভিযোগে কাঠগড়ায় তাঁরই পরিবার, বিস্ফোরক দাবি বৌদির

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নয়ডার বহুল আলোচিত নিক্কি ভাটি (Nikki Bhati) পণমৃত্যু মামলা এক নতুন মোড় নিয়েছে। মৃতার শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে পণের অভিযোগ ওঠার পর এবার কাঠগড়ায় দাঁড়াল নিক্কির নিজের পরিবারও। প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেছেন নিক্কির বৌদি মীনাক্ষী (Meenakshi)।

মীনাক্ষীর দাবি, ২০১৬ সালে তাঁর বিয়ের সময় পরিবার থেকে একটি মারুতি সুজুকি সিয়াজ গাড়ি দেওয়া হয়েছিল পণ হিসেবে। কিন্তু নিক্কির পরিবার সেই গাড়িটিকে ‘অশুভ’ আখ্যা দিয়ে বিক্রি করে ফেলে। পরবর্তীতে নতুন মডেলের স্করপিও ও নগদ টাকার দাবি ওঠে। দাবি না মেটায় তাঁকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মীনাক্ষী জানান, এই ঘটনায় গ্রামের পঞ্চায়েত পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, নিক্কির পরিবার হয় ৩৫ লক্ষ টাকা ফিরিয়ে দেবে, নইলে তাঁকে পুনরায় শ্বশুরবাড়িতে নিতে হবে। তবুও সমাধান আসেনি।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নিক্কির দাদা রোহিত (Rohit) অভিযোগকে উড়িয়ে দেন। পরিবারের আরেক সদস্যের বক্তব্য, বিবাদের সময় পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়েছিল যে উভয়পক্ষ একে অপরের দিকে বন্দুক তাক করেছিল। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ঝগড়া তো প্রতিটি বাড়িতেই হয়। অন্তত আমরা মেয়েটিকে পুড়িয়ে মারিনি।”

Advertisement
ads

অন্যদিকে, নিক্কির শ্বশুর সত্যবীর সিং (Satyaveer Singh) মীনাক্ষীর বাবাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জোরে টাকার দাবি মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন বলেও সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নিক্কি ভাটি তাঁর শ্বশুরবাড়িতে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ। সাত বছরের ছেলের সামনেই তাঁকে আগুনে ঝলসে দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, জ্বলন্ত অবস্থায়ও তিনি সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছেন। পরে হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নিক্কি।

মীনাক্ষীর এই নতুন অভিযোগে নিক্কি ভাটির মৃত্যু তদন্তে আরও জটিলতা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে আবারও প্রশ্ন উঠছে—আইনত পণ প্রথা নিষিদ্ধ হলেও কেন এখনও তা সমাজে অব্যাহত?

Advertisement
ads