দেশের খবর
পণের টাকার জন্য গৃহবধূর ওপর নির্মম নির্যাতন, হাত-পা বেঁধে গরম ছুরি দিয়ে মারধর
Digital Desk: মধ্যপ্রদেশের খারগোনে পণের টাকার জন্য এক তরুণী শ্বশুরবাড়ির নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। খুশবু পিপলিয়া (Khushbu Piplia, ২৩) মাত্র কয়েক মাস আগে বিয়ে করেছেন। অভিযোগ, স্বামীর পণের দাবিতে কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর ওপর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
খুশবুর পরিবার জানায়, তিনি দিনের পর দিন মারধর সহ্য করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গরম ছুরি দিয়ে ছ্যাকা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যন্ত্রণায় চিৎকার করলে মুখেও গরম ছুরি দিয়ে ছ্যাকা দেওয়া হয়।
গত সোমবার নিজের কৌশলে শ্বশুরবাড়ি থেকে পালাতে সক্ষম হন খুশবু। বাপের বাড়িতে পৌঁছে পরবর্তীতে তিনি নিজেই হাসপাতালে ভর্তি হন। পুলিশ জানায়, নির্যাতনের বর্ণনা খুশবু তাদের কাছে দিয়েছেন। রবিবার রাতে স্বামী তাঁকে টেনে রান্নাঘরে নিয়ে যান, হাত-পা বেঁধে মারধর করেন এবং মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে শরীরে ছ্যাকা দেন।
খুশবু জানিয়েছেন, স্বামী বারবার বলেন তিনি তাঁকে পছন্দ করেন না এবং পরিবারের জোরাজুরিতে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছেন। সেইসময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও রান্নাঘরে উপস্থিত ছিলেন। ভোররাতে সুযোগ পেয়ে তিনি পালিয়ে আসেন।
এর আগে উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় নিক্কি ভাটির (Nikki Bhati) মৃত্যুর ঘটনায় দেশে তোলপাড় হয়। ৩৬ লক্ষ টাকার পণের জন্য তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
খারগোন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খুশবুর পরিবার অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছে।
এই ঘটনায় পাত্রপক্ষের দাপট ও পণ্যের জন্য নারীর ওপর চলা সহিংসতার বিষয়টি আবারও সমাজের সামনে এনেছে।


