মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পরেও কেন বিক্ষোভ? পাল্টা চাকরিহারাদের প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর
Connect with us

কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পরেও কেন বিক্ষোভ? পাল্টা চাকরিহারাদের প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর

Dwip Narayan Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্যজুড়ে ডিআই অফিস অভিযান শুরু করেন চাকরিহারারা। আশঙ্কা আগেই করা গিয়েছিলো যে, এই অভিযান ঘিরে কিছু একটা ঘটতে চলেছে। হ্যাঁ, অবশেষে তাই হল। এদিন মেদিনীপুর থেকে বর্ধমান, কসবা থেকে বারাসাত জেলায় জেলায় চাকরিহারাদের বিক্ষোভে লাঠিচার্জ চালিয়েছে পুলিশ।

এমনকি এই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে বিকাশভবনে বৈঠকও ভেস্তে যায়। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চাকরিহারা শিক্ষকদের আন্দোলের যৌক্তিকতা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর প্রশ্ন, রাজ্য সরকার পাশে থাকার পরেও কেন আনন্দলোন? কেন বিক্ষোভ? চাকরিহারারা কেন ডিআই অফিসে গিয়েছিলেন? কেন তালা ঝুলিয়ে বিকক্ষভ দেখালেন ? মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু তার পরেও কেন এই বিক্ষোভ? খানিক পরে এই সব প্রশ্নের নিজের উত্তর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের রায়দানে এসএসসির পুরো প্যানেল বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি বাতিলের পর খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নেতাজি অন্দর স্টেডিয়ামে সভা ডেকেছিলেন চাকরিহারাদের নিয়ে। বৈঠক থেকে তিনি চাকরিহারাদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

Advertisement
ads ads

বলেছিলেন, যারা যোগ্য তারা ফেরত পাবেন চাকরি। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রীর এই কথায় খুব একটা আশ্বাস করতে পারেননি চাকরিহারাদের একাংশ। তাই এনিয়ে আজ বুধবার জেলায় জেলায় ডিআই অফিস অভিযানের ডাক দিয়েছেন চাকরিহারার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। বিক্ষোভে নেমে খন্ড যুদ্ধ বাধে পুলিশের সঙ্গে।

ব্রাত্য বসু ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, রাজ্য সরকার যেখানে চাকরিহারাদের পাশে রয়েছে, যেখানে তাদের সব ধরনের সহযোগিতার কথা বলা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী নিজে আশ্বস্ত করেছেন যে যোগ্যরা চাকরি পাবেন, পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন, তারপরেও এই ধরনের আন্দোলন-বিক্ষোভের মানে কী?

আরও পড়ুন – শিক্ষকদের মার! বিকাশভবনে ব্রাত্য বসুর সঙ্গে হলনা অভিজিতের বৈঠক

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল এবং মিডিয়া, এই ২৬ হাজার চাকিরহারা ইস্যুতে পরিকল্পিতভাবে গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করছে। হয়তো কেউ কেউ চাকরিহারাদের প্ররোচিত করেছে, আর ওনারা তাতে পা দিচ্ছে। তবে কেনই বা এই আন্দোলন কেনই বা এই বিক্ষোভ?

Advertisement
ads ads

গোটা ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও নিজেও ক্ষুব্ধ। তিনি আরও বলে,আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, ২৬ হাজার চাকরিহারা ইস্যুটি রাজ্য সরকার মানবিকভাবেই দেখছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কথা দিয়েছেন, তিনি বেঁচে থাকতে যোগ্যদের কারও চাকরি যেতে দেবেন না।

তারপরেও এ ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠিক নয়। চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেকোনও পন্থা নিতে পারে, তবে আমরা সেই পন্থা মানবিক পথে শান্ত করতে বা ওদের সমস্যার সমাধান করতে বদ্ধ পরিকর। রাজ্য ওদের পাশে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ওদের পাশে রয়েছে। তাই বলবো ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন।

আরও পড়ুন – কসবায় ডিআই অফিস অভিযানে লাঠিচার্জ পুলিশের! কি দোষ আমাদের? চাকরিহারারা

Advertisement
ads ads