‘পিএম শ্রী’ প্রকল্পে স্কুল পিছু ২৫ লক্ষ টাকা! রাজ্যের ১২,৩০০ স্কুলের ভোল বদলাবে শুভেন্দু সরকার
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘পিএম শ্রী’ প্রকল্পে স্কুল পিছু ২৫ লক্ষ টাকা! রাজ্যের ১২,৩০০ স্কুলের ভোল বদলাবে শুভেন্দু সরকার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের সরকারি (Government) ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত (Government-Aided) স্কুলগুলির পরিকাঠামো (Infrastructure) এবং শিক্ষার মান (Quality of Education) উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। ‘পিএম শ্রী’ (PM SHRI) প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত প্রতিটি স্কুল সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা (Financial Assistance) পেতে পারে। ইতিমধ্যেই ২৩টি জেলায় স্কুল চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে এবং প্রাথমিক তালিকায় জায়গা পেয়েছে মোট ১২ হাজার ৩০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে। এই জেলায় মোট ১,৬৬১টি স্কুল নির্বাচন করা হয়েছে। এরপর রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, যেখানে তালিকাভুক্ত হয়েছে ১,৩৮২টি স্কুল। মুর্শিদাবাদে এই প্রকল্পের আওতায় রাখা হয়েছে ১,০৭৫টি স্কুল। পাশাপাশি বাঁকুড়ার রামকৃষ্ণ মিশন সারদা বিদ্যাপীঠ, বর্ধমান টাউন স্কুল-সহ একাধিক ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য শুধু ভবন সংস্কার নয়, বরং আধুনিক শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা। পরিকল্পনায় রয়েছে ডিজিটাল ক্লাসরুম (Digital Classroom), আধুনিক বিজ্ঞান ও কম্পিউটার ল্যাব (Laboratory), উন্নত শিক্ষা উপকরণ এবং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে সরকারি স্কুলের সংখ্যা ছিল ৯৩,৭১৫। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯২,৮০০-তে। অর্থাৎ, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ৯১৫টি সরকারি স্কুলের সংখ্যা কমেছে বা পড়ুয়াশূন্য হয়ে পড়েছে বলে সরকারি তথ্যেই উঠে এসেছে।

Advertisement
ads ads

এই পরিস্থিতিতে সরকারি স্কুলগুলিকে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তুলতেই এই মাস্টার প্ল্যান (Master Plan) গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, উন্নত পরিকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর (Technology-Based) শিক্ষা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা চালু হলে সরকারি স্কুলের প্রতি অভিভাবক ও পড়ুয়াদের আস্থা আরও বাড়বে।

তবে প্রধান শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দাবিও নতুন করে তোলা হয়েছে। এখন নজর, প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ এবং কবে থেকে উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়।

Continue Reading
Advertisement ads