জেলার খবর
তারাপীঠ মন্দিরে দেদার দুর্নীতি! মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ মন্দিরের সেবায়েত
নিউজ ডেস্ক: মন্দির হল একটি ধর্মীয় পীঠস্থান। যেখানে কোনো জাত-ধর্ম বিশিষ্ট মানুষদের ভেদাভেদ করা হয়না। এবার সেই মন্দির নিয়ে উঠে এল দুর্নীতির অভিযোগ। তাও আবার তারাপীঠের মন্দির মা তারার মন্দির নিয়ে এবার উঠে এল দেদার দুর্নীতির অভিযোগ। তারাপীঠে পুজোর VIP লাইনে ৫০০ টাকা? এমনই অভিযোগ নিয়ে মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হলেন মন্দিরের সেবায়েত! ঠিক কি হয়েছে ঘটনা?
বীরভূমে অবস্থিত তারাপীঠ মন্দির নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হলেন মন্দিরের সেবায়েত নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বুধবার সকালে তিনি মহকুমা শাসক সৌরভ পান্ডের দফতরে এক স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। স্মারকলিপিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, মন্দিরে ভিআইপি লাইনে পুজো দেওয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে এবং কোনোরকম আর্থিক স্বচ্ছতা নেই।
মন্দিরের সেবায়েত নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানিয়েছেন, মা তারার মন্দিরে প্রতিদিন প্রায় ১০০ জনের মতো ব্যক্তি তথা রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রী, শাসকদলের নেতা-নেত্রী রয়েছেন যারা মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করে পুজো দেন। কিন্তু, গতকাল তাঁর চারজন আত্মীয় ভিআইপি লাইনে পুজো দিতে গেলে বাধা দেওয়া হয় তাদের।
আরও পড়ুন- প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দ্বৈরথ পরিচালন সমিতির সভাপতির, শিকেয় পঠন-পাঠন
অভিযোগ , রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এবং তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় ভিআইপি লাইনে পুজো দেওয়া বন্ধ করে দেন। শুধু তাই নয়, মন্দিরে সেসব বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা রয়েছেন তাদেরকেও অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়।
নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করে জানান, মা তারার মন্দিরে উন্নয়নের নামে যে ৫০০ টাকা ভিআইপি ফি নেওয়া হয়, সেই অর্থের কোনও হিসেব নেই। বিগত ১৫ বছর ধরে একই ব্যক্তি মন্দিরের সভাপতির পদে রয়েছেন, যা নিয়মবহির্ভূত বলে তিনি দাবি করছেন। নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বক্তব্য, নির্দিষ্ট সময় অন্তর সভাপতি নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না মন্দিরে।
আরও পড়ুন- আরও বিপাকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী! পার্থর বিরুদ্ধে ‘রাজসাক্ষী’ তাঁরই জামাই
