আরও বিপাকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী! পার্থর বিরুদ্ধে 'রাজসাক্ষী' তাঁরই জামাই
Connect with us

কলকাতা

আরও বিপাকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী! পার্থর বিরুদ্ধে ‘রাজসাক্ষী’ তাঁরই জামাই

Dwip Narayan Chakraborty

Published

on

নিউস ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার আরও বিপাকে পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হয়ে দাঁড়ালো তারই জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য।

সূত্রের খবর, গত শনিবার কলকাতা নগর দায়রা আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য-এর গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এই মামলায় পার্থর সঙ্গে অভিযুক্তদের তালিকায় ছিলেন পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য। সূত্রের খবর, ‘রাজসাক্ষী’ হওয়ার পর তিনি আর অভিযুক্ত থাকবেন না।

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শ্বশুরমশাই অর্থাৎ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর, নাম জড়িয়েছিল তাঁর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্যর। নাম রয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির চার্জশিটেও। এবার সেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, ‘রাজসাক্ষী’ হলেন তাঁরই জামাই।

জবান বন্দির পর , তদন্তে ED-র র‍েডারে আসে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর প্রয়াত স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়-এর নামে পিংলায় তৈরি হয়েছিল বাবলি চট্টোপাধ্যায় মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। সেই স্কুলের চেয়ারম্যান প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য স্বয়ং।

Advertisement
ads

ইডি সূত্রের দাবি, পার্থর জামাই কল্যাণময়কে একাধিক বার জেরা করে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লোকজনকে নগদে টাকা দিতেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। সেই টাকাই আবার ফেরত আসতো তাঁর প্রয়াত স্ত্রীর নামে তৈরি বাবলি চট্টোপাধ্যায় মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট-এ। আর এভাবেই ওই ট্রাস্ট হয়ে উঠেছিল দুর্নীতির অন্যতম আঁতুড়ঘর। নিয়োগ মামলার চার্জশিটে এমনটাই দাবি করেছে ইডি।

ইডির আরও দাবি, এই ভাবেই নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা পার্থর প্রয়াত স্ত্রী বাবলির নামে ট্রাস্ট এবং কল্যাণময়ের নানা সংস্থার মাধ্যমে সাদা করা হত। পার্থর জামাই কল্যাণময় এবং তাঁর সংস্থার নামে অভিযোগও দায়ের হয়।

কল্যাণময়-এর গোপন জবানবন্দির মাধ্যমে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তিনি আদালতে পেশ করতে চাইছেন বলে আইনজীবী মারফত আবেদন করেছিলেন। কিন্তু, বিচারক ওই আবেদন মঞ্জুরও করেন। তিনি কলকাতা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতকে দ্রুত কল্যাণময়ের গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পার্থ এখন ইডি-র মামলায় জামিন পেলেও সিবিআইয়ের মামলায় জেলবন্দি রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।

Advertisement
ads