কলকাতা
মৃত্যুর খবর শুনেই মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ মুখ্যমন্ত্রীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রবল বৃষ্টির (Heavy Rain) পর জমা জলে (Waterlogging) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা কাঁপিয়ে দিয়েছে কলকাতাবাসীকে। মঙ্গলবার একদিনে শহরের বিভিন্ন অংশে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। বুধবার সকালে তাঁদের মধ্যে দু’জনের বাড়িতে পৌঁছলেন কলকাতার মেয়র (Mayor) ও রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আর সেখান থেকেই ফোনে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রাক-পূজোই (Pre-puja) হোক বা সাধারণ বৃষ্টির রাত—সোমবার রাতে প্রতিপদের (Pratipada) প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ডুবে যায় কলকাতা। যাদবপুর, পার্ক সার্কাস, তারাতলা, একবালপুর, ভবানীপুর-সহ একাধিক এলাকায় জল জমে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই জমা জলই মঙ্গলবার মৃত্যুর ফাঁদ হয়ে দাঁড়ায় মোমিনপুর, নেতাজিনগর, ঠাকুরপুকুর-সহ বহু অঞ্চলে।
সব মিলিয়ে কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের, যার মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।
বুধবার সকাল ১০.৩০ নাগাদ মেয়র ফিরহাদ হাকিম প্রথমে যান মোমিনপুরের জিতেন্দ্র সিংয়ের (Jitendra Singh) বাড়িতে। সেখান থেকে বেরিয়ে যান ঠাকুরপুকুরে মৃত শুভ প্রামাণিকের (Shubho Pramanik) বাড়িতে। সেখানে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা (Condolence) জানান তিনি।
সেই সময় মেয়রের ফোন থেকেই মৃতদের পরিবারের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। শোকবার্তা জানানোর পাশাপাশি, পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
এই মৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবারই বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা সিইএসসি (CESC)-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি বলেন,
“সিইএসসি-র গাফিলতির (Negligence) ফলেই প্রাণ হারালেন এত জন। ওদের ব্যবসা চালাতে সমস্যা নেই, কিন্তু আধুনিকীকরণের (Modernization) নামে কিছুই করছে না। আমার মুখ ব্যথা হয়ে গিয়েছে বলে বলে!”
সিইএসসি-র উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা,
“ওদের উচিত, মৃতদের পরিবারপিছু একজনকে চাকরির (Job) ব্যবস্থা করে দেওয়া।”
ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে প্রশাসনের সংবেদনশীলতা এবং মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ।


