ভাইরাল খবর
মমতার হাত ছাড়লেন ১৯ সাংসদ! সামনে এল ওম বিড়লাকে দেওয়া সই করা চিঠি
ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসে (Trinamool Congress) ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হল ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষর-সম্বলিত একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর। সূত্রের দাবি, এই সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চেয়ে আবেদন করেছেন এবং এনডিএ (NDA) ব্লকের সদস্য হিসেবে বসার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন।
According to Sources here is the list of 19 out of 20 TMC breakaway MPs that sent their names to the Lok Sabha Speaker’s Office on May 18th.
1. Kakoli Ghosh Dastidar
2. Satabdi Roy
3. Bapi Haldar
4. Dr. Sharmila Sarkar
5. Prasun Bandyopadhyay
6. Jagadish Barma Basunia
7. Asit… pic.twitter.com/MM2rPhYuaf— ANI (@ANI) June 12, 2026
প্রকাশ্যে আসা নথি অনুযায়ী, চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন মোট ১৯ জন সাংসদ।
স্বাক্ষরকারী ১৯ জন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদের তালিকা:
১. কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
২. শতাব্দী রায়।
৩. বাপি হালদার।
৪. ডা. শর্মিলা সরকার।
৫. প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।
৬. জগদীশ বর্মা বাসুনিয়া।
৭. অসিত কুমার মাল।
৮. অরূপ চক্রবর্তী ।
৯. রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।
১০. সায়নী ঘোষ ।
১১. খলিলুর রহমান।
১২. আবু তাহের খান।
১৩. ইউসুফ পাঠান।
১৪. মিতালি বাগ।
১৫. মালা রায় ।
১৬. কালীপদ সোরেন ।
১৭. দীপক অধিকারী (দেব) ।
১৮. জুন মালিয়া ।
১৯. পার্থ ভৌমিক।
সূত্রের খবর, গত ৯ জুন দিল্লির ৯ মতিলাল নেহরু মার্গে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী (Union Environment Minister) ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রথম দফায় ১৪ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেন। পরে আরও পাঁচজন সাংসদ ওই চিঠিতে সই করেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে ঘাটালের সাংসদ ও অভিনেতা (Actor-MP) দীপক অধিকারী ওরফে দেবের নাম। কারণ, এর আগে তিনি প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন। তবে প্রকাশ্যে আসা নথিতে তাঁর স্বাক্ষরও দেখা গিয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের (Political Circle) একাংশের মতে, এই দাবি সত্য হলে লোকসভায় তৃণমূলের সাংগঠনিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব পড়তে পারে। যদিও চিঠির সত্যতা এবং সেটিই স্পিকারের দপ্তরে জমা পড়েছিল কি না, তা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে এখনও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক (Official) প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। ফলে দিল্লি ও কলকাতার রাজনৈতিক মহল এখন পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাখছে।
