রিঙ্কু মজুমদারের পুত্রের মৃত্যু মামলায় উঠছে লিভ-ইন বান্ধবীর নাম, মাদককাণ্ডে তদন্ত তীব্র
Connect with us

আত্মহত্যা

রিঙ্কু মজুমদারের পুত্রের মৃত্যু মামলায় উঠছে লিভ-ইন বান্ধবীর নাম, মাদককাণ্ডে তদন্ত তীব্র

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নিউটাউনের বিলাসবহুল আবাসনে তরুণ প্রীতম মজুমদারের (Pritam Majumdar) রহস্যমৃত্যু ঘিরে জটিলতা বাড়ছে। বিজেপি নেত্রী রিঙ্কু মজুমদারের (Rinku Majumdar) পুত্র প্রীতমের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে একের পর এক নতুন প্রশ্ন সামনে আনছে পুলিশি তদন্ত। এবার তদন্তকারীদের সন্দেহের কেন্দ্রে উঠে এলেন প্রীতমের সহকর্মী ও লিভ-ইন পার্টনার—তাঁর আর্থিক লেনদেন এবং প্রীতমের মাদকাসক্তির যোগ।

পুলিশ সূত্রে খবর, সাপুরজি আবাসনের (Shapoorji Complex, New Town) ফ্ল্যাট থেকে প্রীতমের নিথর দেহ উদ্ধারের পরে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হলেও, তার সঙ্গে জুড়ে গেছে মাদক সংক্রান্ত নানা তথ্য। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিন ধরেই মাদকে আসক্ত ছিলেন প্রীতম। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) নিজে জানিয়েছেন, প্রীতমের কাউন্সেলিং চলছিল এবং পরিবার বিষয়টি জানত।

তবে মৃত্যুর কয়েকদিন আগে থেকে লিভ-ইন সঙ্গিনীর সঙ্গে একাধিকবার টাকার লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রীতমের পারিবারিক বন্ধু ঝুমা ঘোষ (Jhuma Ghosh)। ঝুমার কথায়, ওই তরুণী একাধিকবার রিঙ্কু মজুমদারকে প্রীতমের ঋণের বিষয়টি জানিয়ে সাহায্য চান। রিঙ্কু নিজেও ওই টাকার কিছু অংশ ফেরত দিয়েছেন। এখানেই শুরু হয় পুলিশের সন্দেহ।

আরও পড়ুনঃ ‘মিস ওয়ার্ল্ড’-এর পা ধুয়ে দিলেন মহিলারা, ভিডিও ঘিরে তেলঙ্গানায় রাজনৈতিক আগুন

Advertisement
ads

প্রশ্ন উঠছে—এই অর্থ কীভাবে খরচ হচ্ছিল? মাদক কেনার কাজে ওই অর্থ ব্যবহৃত হত কি না, তা জানতে ওই তরুণীর আর্থিক লেনদেনের খতিয়ান খতিয়ে দেখছে বিধাননগর পুলিশ।

বিশেষত, ব্রাউন সুগারের মতো দেশি মাদকের পাশাপাশি, প্রীতম বিদেশি মাদক যেমন কোকেন (Cocaine), এমডিএমএ (MDMA)-র মতো উচ্চমানের ও বিপজ্জনক ড্রাগেও আসক্ত ছিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও ফরেনসিক বিশ্লেষণের উপর নজর রাখছে তদন্তকারী দল।

এখনও পর্যন্ত পরিবার পক্ষ থেকে পুলিশে কোনও লিখিত অভিযোগ না এলেও, গোটা ঘটনার গভীরে মাদক-চক্র এবং মানসিক অবসাদের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, প্রীতমের লিভ-ইন সঙ্গিনীর ভূমিকা নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

এই মৃত্যু নিছকই আত্মহত্যা, না কি মাদকের নেশার জেরে এক পরিকল্পিত নেপথ্য ঘটনার ফলাফল—সে উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

Advertisement
ads