বিশ্বের খবর
“হয় আপনি অসৎ, না হয় বোকা!” নারী সঞ্চালিকাকে বেনজির আক্রমণ মার্কিন প্রেসিডেন্টের
ডিজিটাল ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) ঘিরে ফের নতুন বিতর্ক। জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’ (Meet the Press)-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর আচমকাই সাক্ষাৎকার মাঝপথে ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই আমেরিকার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
জানা গিয়েছে, এনবিসি নিউজ (NBC News)-এর সঞ্চালিকা ক্রিস্টেন ওয়েলকার (Kristen Welker) ক্যালিফোর্নিয়ার (California) নির্বাচন এবং ভোট গণনা (Vote Counting) নিয়ে ট্রাম্পের করা কারচুপির অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট প্রমাণ (Evidence) জানতে চাইলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সাক্ষাৎকার চলাকালীন ট্রাম্প দাবি করেন, ভোট গণনায় বিলম্বই অনিয়মের ইঙ্গিত। তবে সঞ্চালিকা পাল্টা জানান, ডাকযোগে আসা ব্যালট (Mail-in Ballot) যাচাই ও গণনার কারণেই সময় বেশি লাগতে পারে। এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হননি ট্রাম্প। বরং তিনি বিভিন্ন মূলধারার সংবাদমাধ্যমকে (Mainstream Media) পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করেন।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন ট্রাম্প সঞ্চালিকাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে কড়া মন্তব্য করেন। এরপর তিনি সাক্ষাৎকার শেষ করার সিদ্ধান্ত নেন। নিজের মাইক্রোফোন (Microphone) খুলে রেখে বলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। ধন্যবাদ ডার্লিং (Thank You Darling)।” তারপরই তিনি সেট ছেড়ে বেরিয়ে যান বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ট্রাম্প সমর্থকদের একাংশের দাবি, পক্ষপাতদুষ্ট প্রশ্নের প্রতিবাদ হিসেবেই তিনি সাক্ষাৎকার ছেড়েছেন। অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তিনি আলোচনার ইতি টেনেছেন।
.@POTUS bodies @kwelkernbc on California’s pathetic excuse for an election system:
“Do you think it’s appropriate that they have an election and five days later they’re nowhere close to picking a winner!? They’re crooked — just like you’re crooked.” pic.twitter.com/a4gwNUm7gC
— Rapid Response 47 (@RapidResponse47) June 7, 2026
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই ঘটনা অনেকের কাছেই অতীতের কিছু বিতর্কিত রাজনৈতিক সাক্ষাৎকারের স্মৃতি ফিরিয়ে দিয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
