দুর্ঘটনা
‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পাল্টা জবাবে পাকিস্তানের ‘বুনিয়ান মারসুস’, সীমান্তে উত্তেজনা চরমে
ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরের রক্তক্ষয়ী হামলার পাল্টা জবাবে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। সেই অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় এবার পাল্টা কৌশলে সামরিক আঘাত হানল পাকিস্তান সেনা। নতুন এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন বুনিয়ান মারসুস’ (Operation Bunyan Marsus), এমনটাই জানিয়েছে বিদেশি সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা, পাকিস্তানের সরকারি সূত্র এবং সেনার বরাত দিয়ে।
পাকিস্তানের এই অভিযানের পর শুক্রবার (Friday) রাতে সীমান্ত এলাকায় তৈরি হয় রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি। জম্মু (Jammu), পুঞ্চ (Poonch) ও রাজৌরি (Rajouri) সীমান্তে একের পর এক ড্রোন হামলা ও গুলির লড়াই চলে রাতভর। পাক সেনার ছোড়া বোমায় প্রাণ হারিয়েছেন রাজৌরির এক সরকারি অফিসার সহ মোট তিনজন। সীমান্তবর্তী অন্তত ২৬টি এলাকায় পাকিস্তান ছোড়েছে ড্রোন।
ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Indian Strike) জবাবে পাকিস্তান এই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলেই দাবি করেছে ইসলামাবাদের সরকারি মহল।
আরও পড়ুনঃ অপারেশন সিন্দুরে সশস্ত্র বাহিনীর পাশে ঐক্যবদ্ধ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগত
পাল্টা পদক্ষেপে অবশ্য ভারতও চুপ করে বসে থাকেনি। নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতেই রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমানঘাঁটি (Nur Khan Airbase) সহ পাকিস্তানের আরও দুটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে টার্গেটেড স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বাহিনী। এই প্রত্যাঘাতের পরেই পাকিস্তান সেনা সক্রিয় হয়ে ‘অপারেশন বুনিয়ান মারসুস’ নামক হামলা শুরু করে বলে জানা গিয়েছে।
পাক সংবাদমাধ্যম ডন (Dawn) সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করেছে, রাজৌরিতে ভারতের সামরিক গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি আদমপুরে (Adampur) ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ (S-400 Air Defence System) ধ্বংস করারও দাবি করেছে তারা। শুধু তাই নয়, ভারতের বিদ্যুৎ পরিকাঠামোতেও বড় ধরনের সাইবার হামলা (Cyber Attack) চালানো হয়েছে বলে দাবি ইসলামাবাদের।
তবে ভারত সরকার বা বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) পক্ষ থেকে এখনও এই ঘটনায় কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। প্রতিক্রিয়া এলে পরবর্তী আপডেটে তা জানানো হবে।
ঘটনার পর রাজনীতিক মহল, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং কূটনীতিকদের কড়া নজর এখন ভারত-পাক সীমান্তে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।
