অভিষেকের শুভেচ্ছা দিলীপ-রিঙ্কুকে, সৌজন্যের নজির বঙ্গ রাজনীতিতে
Connect with us

ভাইরাল খবর

অভিষেকের শুভেচ্ছা দিলীপ-রিঙ্কুকে, সৌজন্যের নজির বঙ্গ রাজনীতিতে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধ্বংসী রাজনৈতিক বাক্‌যুদ্ধে বহুবার মুখোমুখি হয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ব্যক্তিগত মুহূর্তে সৌজন্য বজায় রাখার নজির গড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্য বিবাহিত বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদারকে অভিনন্দন জানালেন তিনি

শনিবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়া X-এ (প্রাক্তন টুইটার) এক বার্তায় অভিষেক লেখেন, “নতুন জীবন সুন্দরভাবে শুরু করার জন্য দিলীপ ঘোষ ও রিঙ্কু মজুমদারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ভালোবাসার নিজস্ব সময় ও লয় থাকে। আপনাদের একসঙ্গে পথচলা সেই সত্যিকারের ভালবাসারই প্রমাণ। আপনাদের জীবনে যেন আনন্দ, শান্তি ও সাহচর্যে চিরকাল স্থায়ী হয়—এই শুভকামনা রইল।”

আরও পড়ুনঃ বিয়ের পরদিনই প্রাতর্ভ্রমণে দিলীপ, বললেন— ‘ইকো পার্কে হাঁটলে বিয়ে হয় না!’

প্রসঙ্গত, এর আগেই নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ওদিলীপ ঘোষের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এই পরিণয়। ৬১ বছর বয়সে তিনি জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন। পাত্রী, রিঙ্কু মজুমদার, বিজেপি-র মহিলা মোর্চার নেত্রী এবং বহুদিন ধরেই রাজনীতির ময়দানে দিলীপের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী

Advertisement
ads

বিয়ের ঠিক পরদিনই ছিল দিলীপ ঘোষের জন্মতিথি। শনিবার সকালে ইকো পার্কে নিয়ম মাফিক হাঁটতেও বেরিয়ে পড়েন তিনি। সেখানে ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দেখা হলে ছোট্ট উদ্‌যাপন হয় কেক, পায়েস, দইবড়া আর হুল্লোড়ের মাঝে। সাংবাদিকদের প্রশ্নে দিলীপ বলেন, “রিঙ্কু দলের পুরনো কর্মী। আমার চেয়েও পুরনো। বহু জায়গায় দেখা হয়েছে। হঠাৎই বিয়ের প্রসঙ্গ এল।”

ইকো পার্কে প্রেমের শুরু কি? দিলীপের উত্তর, “ও মর্নিং ওয়াক করে না। আর ইকো পার্কে হাঁটলে যদি বিয়ে হতো, তাহলে তো বহু আগেই হতো! বিয়ে যখন হওয়ার, তখনই হয়।”

রাজনীতির বাইরে এমন মানবিক মুহূর্তে দুই প্রধান দলের নেতাদের সৌজন্য আদানপ্রদান, বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে এক অভিনব দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement