ভাইরাল খবর
বিয়ের পরদিনই প্রাতর্ভ্রমণে দিলীপ, বললেন— ‘ইকো পার্কে হাঁটলে বিয়ে হয় না!’
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিয়ের পরে সাধারণত কেউ একটু বিরতি নেন, পরিবারে সময় দেন, ঘরোয়া পর্ব সেরে ওঠেন। কিন্তু সেই রীতি ভেঙে শনিবার ভোরেই রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ পৌঁছে গেলেন নিউ টাউনের ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণে। শুক্রবার গোধূলি লগ্নে বিজেপি নেত্রী রিঙ্কু মজুমদারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দিলীপ। কিন্তু শনিবার সকাল সাড়ে পাঁচটার মধ্যেই তিনি ফের দেখা গেলেন রাজনৈতিক-সক্রিয় চেনা ছন্দে।
ইকো পার্কে তাঁর বহু বছরের প্রাতর্ভ্রমণ সঙ্গীদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি। সেই সময়ই প্রশ্ন ওঠে — রিঙ্কুর সঙ্গে কি এখানেই আলাপ হয়েছিল? মৃদু হেসে দিলীপ উত্তর দেন, ‘‘ও মর্নিং ওয়াক করার লোক নয়। এখানে আলাপ হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ও আমার বহু পুরনো সহকর্মী। দলের অনেক দিনের মানুষ। এমনিই নানা জায়গায় দেখা হত।’’ একই সঙ্গে নিজের ঘরোয়া বিয়ের প্রসঙ্গে হালকা হাসির ছলে বলেন, ‘‘অনেকে বলে ইকো পার্কে হাঁটলে বিয়ে হয়। সারা জীবন হাঁটলেও বিয়ে হবে না, যদি হওয়ার না থাকে!’’
আরও পড়ুনঃ নতুন জীবনের শুরুতে অনুপস্থিত পুত্র, দিলীপকে ‘বাবা’ হিসেবে মেনে নিতে পারবেন কি রিঙ্কু পুত্র?
বিয়ের দিনই ছিল তাঁর তিথি অনুযায়ী জন্মদিন। তাই তাঁর প্রাতর্ভ্রমণ সঙ্গীরা এদিন ছোট্ট আয়োজন করেছিলেন। কেউ পায়েস, কেউ কেক, কেউ দইবড়া বানিয়ে এনেছিলেন। দিলীপ নিজে বিশেষ মিষ্টিপ্রিয় না হলেও সঙ্গীদের আবদারে অল্প করে সবই চেখে দেখেছেন। তবে স্ত্রী রিঙ্কু ঘোষ এদিন বাড়িতে ছিলেন। বিয়ের পর রীতি মেনে নববধূর প্রথম দিন বাড়িতেই কাটে, সেই রীতিই অনুসরণ করছেন তিনি।
এদিকে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও কোনও বদল নেই। শনিবার বিকেলে দমদমে নাগেরবাজার পর্যন্ত একটি মিছিলে অংশ নিচ্ছেন তিনি। তারপর রাতেই খড়্গপুর রওনা দেবেন, যেখানে জন্মদিন উপলক্ষে আরও একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠান ও বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রণ রক্ষা করার কথা রয়েছে। রবিবার সকালেও রয়েছে চা-চক্র।
রাজনীতির ব্যস্ততা, শরীরচর্চার শৃঙ্খলা ও ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায় — তিনের ভারসাম্যই বজায় রাখছেন দিলীপ ঘোষ।
