উধমপুরের এনকাউন্টারে শহিদ নদিয়ার ঝন্টু, শোকের ছায়া বাংলায়
Connect with us

রাজ্যের খবর

উধমপুরের এনকাউন্টারে শহিদ নদিয়ার ঝন্টু, শোকের ছায়া বাংলায়

Dwip Narayan Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ভূস্বর্গে রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছে। হিন্দুদের বেছে বেছে হত্যা করা হয়েছে। জঙ্গিদের গুলিতে ঝাঁঝরা ২৭ টি তরতাজা প্রাণ। পহেলগাঁওয়ের আকাশে-বাতাসে এখনও যেন বুলেটের গর্জন, মৃত্যুপুরীর হিমশীতলতা আর নীরবতা।

পহেলগাঁওয়ে হামলার পর বৃহস্পতিবার উধমপুরে সংগঠিত হয়েছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই। এই লড়াইয়ে ভূস্বর্গে শহিদ হয়েছেন ভারতীয় এক জওয়ান। মঙ্গলবারের সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত-পাক উত্তেজনার মধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুরে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই।

এদিন বৃহস্পতিবার সংঘর্ষে শহিদ হলেন ভারতীয় সেনার এক জওয়ান। মঙ্গলবার ভূস্বর্গে পর্যটকদের ওপর হামলার পর, গোটা উপত্যকা জুড়ে শুরু হয়েছে চিরুনি তল্লাশি। জঙ্গি নিকেশে একাধিক অভিযান নেমেছে কাশ্মীর সেনা এবং পুলিশ। এবার তেমনই একটি অভিযানে কর্তব্যরত অবস্থায় হারাল ভারতীয় এক জওয়ান।

প্রথমে ওই ভারতীয় সেনার নাম পরিচয় জানা না গেলেও, পরে সেনার হোয়াইট নাইট কোর-এর তরফে জানানো হয় মৃতের নাম পরিচয়। মৃত ভারতীয় সেনা বাংলার বাসিন্দা। তাঁর নাম ঝন্টু আলী শেখ। তিনি নদিয়ার বাসিন্দা। তিনি ৬ প্যারাস্যুট রেজিমেন্টের সদস্য ছিলেন।

Advertisement
ads

বৃহস্পতিবারের ঘটনার বিবরণ দিয়ে এক সেনা জানিয়েছে, গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে উধমপুরের দুদু-বসন্তগড় এলাকায় জঙ্গি গতিবিধির খবর মেলে। এরপরই ওই এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয় জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন – ভারত-পাক উত্তেজনা! উধমপুরে খতম ভারতীয় সেনার এক জওয়ান

এই অভিযানের সময় একজন সাহসী যোদ্ধা সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন। চিকিৎসার সব রকম প্রচেষ্টা করা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাকে। অবশেষে মৃত্যু হয়েছে ওই ভারতীয় সেনার এক জওয়ানের। জানা গিয়েছে, এখনও উধমপুরে অভিযান চলছে।

এনিয়ে কিছুক্ষণ আগেই নদিয়ার কৃষ্ণনগরের সাংসদ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনিই প্রথম জানান এই খবর। তিনি লিখেছেন, কাশ্মীরে পাকিস্তানি জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াইয়ে শহিদ হলেন নদিয়ার তেহট্ট ব্লকের পাথরঘাটার বীর বাঙালি সৈনিক ঝন্টু আলি শেখ। অমর রহে। ফের শোকের ছায়া বাংলায়।

Advertisement
ads

আরও পড়ুন – বিতান অধিকারীর বাড়িতে শুভেন্দু! প্রতিটা হিন্দুকে হাত জোর করে অনুরোধ