তৃণমূলে ‘ভুল করে’ যোগদান! বিকেলে ফের গেরুয়ায় প্রত্যাবর্তন
Connect with us

ভাইরাল খবর

তৃণমূলে ‘ভুল করে’ যোগদান! বিকেলে ফের গেরুয়ায় প্রত্যাবর্তন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাঁকুড়া (Bankura) জেলার ওন্দা ব্লকের (Onda Block) চিঙ্গানি গ্রামে (Chingani Village) বুধবার যা ঘটল, তা যেন একেবারে রাজনৈতিক থ্রিলার! দুপুরে বিজেপি (BJP) ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) যোগ দিয়ে বিকেলেই আবার বিজেপিতে প্রত্যাবর্তন—এরকম রাজনৈতিক দোলাচল বিরল বললেও কম বলা হয়।

বুধবার দুপুরে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে (Bishnupur Organizational District TMC Office) সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন গণেশ মল্ল (Ganesh Mall) এবং তারাপদ পাল (Tarapada Pal)। তাঁরা দু’জনেই চিঙ্গানি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তারা বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগও তোলেন।

তবে নাটকীয় মোড় নেয় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। বিকেল গড়াতেই গণেশ মল্ল আবারও হাজির হন বিজেপির ওন্দা রামসাগর কার্যালয়ে (Onda Ramsagar BJP Office)। সেখানেই তিনি ফের দলে ফিরে আসার কথা জানান।

গণেশের বক্তব্য,

Advertisement
ads

“আমাকে ভুল বুঝিয়ে, চাকরি ও টাকার লোভ দেখিয়ে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি বিজেপিকেই বিশ্বাস করি।”

এই ঘটনার জেরে প্রবল অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। তাদের দাবি, কেউ ‘জোর করে’ তৃণমূলে যোগ দেয়নি।

এই নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চিঙ্গানি গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন (Panchayat Board Formation)। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) ১৩টি আসনের মধ্যে ৭টি দখলে রেখে বোর্ড গঠন করেছিল বিজেপি। তৃণমূলের ছিল মাত্র ৪টি আসন। পরে এক সিপিএম সদস্য (CPIM Member) তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৫-এ। আরেকটি আসন ছিল আইএসএফ (ISF)-এর হাতে।

বুধবার দুপুরে গণেশ ও তারাপদ তৃণমূলে যোগ দিলে সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়ায় ৭, যা বোর্ড দখলের ম্যাজিক ফিগার। কিন্তু বিকেলে গণেশের প্রত্যাবর্তনে ফের দুই শিবিরের মধ্যে ৬-৬ আসনের টানাপোড়েন শুরু হয়ে যায়।

বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি কল্যাণ চট্টোপাধ্যায় (Kalyan Chattopadhyay) বলেন,

Advertisement
ads

“টাকার টোপ দেখিয়ে দল ভাঙানোই তৃণমূলের সংস্কৃতি।”

তৃণমূল নেতা সুব্রত দত্ত (Subrata Dutta) অবশ্য বলেন,

“কাউকে জোর করে তৃণমূলে আনা হয়নি। এখন উভয় পক্ষের হাতে ৬টি করে আসন রয়েছে। আমরা শীঘ্রই অনাস্থা প্রস্তাব (No-confidence Motion) আনব। সেদিনই পরিষ্কার হবে কার হাতে বোর্ড যাবে।”

চিঙ্গানি পঞ্চায়েতের দখল ঘিরে এই দলবদলের নাটক আরও কত মোড় নেবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Advertisement
ads