লকডাউনে বন্ধ গণপরিবহণ, আয় না থাকায় সমস্যায় কয়েকশো কর্মী
Connect with us

মালদা

লকডাউনে বন্ধ গণপরিবহণ, আয় না থাকায় সমস্যায় কয়েকশো কর্মী

Dipa Chakraborty

Published

on

চাঁচল , ৭ জুন : করোনা সংক্রমনে লাগাম টানতে তিন সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। কাজ না থাকার ফলে চরম বিপাকে পড়েছে বেসরকারি বাস,অটো,ম‍্যাক্সি ও চালক ও খালাসিরা ।

চাঁচল কাজি নজরুল ইসলাম বাস টার্নমিনাস সূত্রে জানা গিয়েছে,চাঁচল-মালদা ও স্বরুপগঞ্জ-হরিশ্চন্দ্রপুর রুটের প্রায় শতাধিক গনপরিবহন চলাচল করে। সেখান থেকে প্রাপ্ত স্বল্পবেতনে কোনরকমে দিনগুজরান হত তাদের । কিন্তু লকডাউনে পেশায় পড়েছে ভাটা। এরমধ্যে খাদ‍্যদ্রব‍্যের অগ্নিমূল্যের কারণে বাজার করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের । এরজেরে অসহায়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন চাঁচলের বেসরকারি গনপরিবহনের শতাধিক চালক ও খালাসিরা । কাজল দাস নামে এক বাস চালক বলেন, গাড়ি চালিয়ে খুব স্বল্প আয়ে সংসার চালাতে হয়। কিন্তু গাড়ি না চললেও সেটাও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সংসার চালানো মুশকিল হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি বন্ধ থাকায় গাড়ির যন্ত্রাংশ অকেজো হয়ে পড়ে। গাড়ি চালানোর খরচ বেড়ে যায় । ফলে মালিকপক্ষ ফের গাড়ি চালাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয় । বাস ইউনিয়ন সমিতির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা হলে কিছুটা সুরাহা হয় । কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েছেন তারা । ফলে তাদের সহায়তার জন্য প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির কাছে আবেদন জানিয়েছে অসহায় গাড়িচালক ও খালাসীরা । অন্যদিকে মালদা বাস-মিনিবাস অ্যাসোসিয়েশনের চেনমাস্টার প্রদীপ কুমার চ্যাটার্জী বলেন, গাড়ি বন্ধে সবচেয়ে সমস্যায় পড়ে পরিবহণের সাথে যুক্ত কর্মীরা। আয় বন্ধে অনেকেই অন্যকাজে যুক্ত হয়ে যায়। গতবছরের পর এভাবে অনেক গাড়ি বসে যায়। এবছর হয়তো একই ছবি দেখা যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি । অপরদিকে উত্তর মালদা শ্রমিক সংগঠনের অফিস সেক্রেটারি পুলক দাস বলেন, গাড়ি বন্ধে খুবই সমস্যা দেখা দিয়েছে। কবে তা স্বাভাবিক হবে কেউ জানেনা । এর আগে মালিকপক্ষেরা ত্রাণ দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল । ফলে সরকার সাহায্য না করলে অসুবিধেয় পড়বে হাজার হাজার পরিবহণকর্মী ।