আজও মেলেনি পাকা সেতু, বঞ্চনার অন্ধকারে গ্রামের মানুষ
Connect with us

উত্তর দিনাজপুর

আজও মেলেনি পাকা সেতু, বঞ্চনার অন্ধকারে গ্রামের মানুষ

Dipa Chakraborty

Published

on

নদীর দুপারে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম বাঁশের সাঁকো। যার উপর দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন সাধারণ মানুষ। অনেক সময় ঘটে যায় দুর্ঘটনা। উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভাসিডাঙ্গা গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত কুলিক নদী।

ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বেআইনি মাদক উদ্ধার

নদীর উপরে পাকা সেতু নির্মাণের জন্য বহুবার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা কিন্তু কোন ব্যবস্থা হয়নি এখনও।ভোট আসে ভোট যায় কিন্তু নদীর উপরে হয় না পাকা সেতু। যার জেরে বছরের পর বছর ধরে বঞ্চনার অন্ধকারে রয়ে গিয়েছেন এলাকার মানুষজন। উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভাসিডাঙ্গা গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত কুলিক নদী। নদীর এক পাড়ে হেমতাবাদ ওপারে রায়গঞ্জ ব্লক। রায়গঞ্জ এবং হেমতাবাদের একেবারে সীমান্তবর্তী এলাকায় রয়েছে জায়গাটি। নদীর উপর দিয়ে বর্তমানে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম বাঁশের সাঁকো। রোজ এই সাঁকো পেরিয়ে প্রায় ৬-৭০০ লোকের যাতায়াত হয়। সাঁকো পেরিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় গ্রামবাসীদের। বহু ক্ষেত্রে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। পাশে রয়েছে মোহিনীগঞ্জ হাট। হাটে এলাকার মানুষজনকে মালপত্র নিয়ে যেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। এই গ্রামটি কৃষি নির্ভর। সুতরাং হাটে কৃষিজ ফসল নিয়ে যান এলাকার মানুষ। বহু ক্ষেত্রে তারা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হন। স্কুলে আসার ক্ষেত্রে পড়ুয়াদেরও সমস্যা হয়। অন্য পথ দিয়ে যেতে হলে অনেকটা ঘুরতে হয়। তাই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকোর উপর দিয়েই যাতায়াত করতে হয় মানুষকে।

সরকারী চাকুরীর পরীক্ষা দিতে এসে মোবাইল সহ পরীক্ষার হলে ধরা পড়ল পরীক্ষার্থী

Advertisement
ads

বিনয় কুমার দাস নামের এক গ্রামবাসী বলেন, সাঁকোর উপর দিয়ে চলাফেরা করতে যথেষ্ট কষ্ট হয়।। বহু দুর্ঘটনা ঘটেছে। বর্ষার সময় জল বাড়লে নৌকায় যাতায়াত করতে হয়। বারবার পাকা সেতুর দাবি জানালেও কোন ব্যবস্থা হয়নি।তামু মার্ডি নামের এক বাসিন্দা বলেন, সাঁকোর উপর দিয়ে চলাফেরা করতে গিয়ে খুব বেগ পেতে হয়। পাকা সেতু হলে উপকৃত হবেন মানুষজন।প্রকাশ চন্দ্র রায় নামের স্থানীয় একটি প্রাথমিক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, এই সাকোঁর উপর দিয়ে পড়ুয়ারা একসময় স্কুলে আসতো। কিন্তু অনেকেই দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে। তাই এখন তারা স্কুলে আসতে ভয় পায়। লোকজনও মালপত্র নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। এখানে পাকা সেতু নির্মাণ হলে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লাভবান হবেন মানুষজন।