রায়গঞ্জ
রায়গঞ্জ-বারসই সড়ক প্রকল্প আজও তিমিরেই
নিউজ ডেস্ক,২৫ইজানুয়ারিঃদিনের পর দিন নদীর উপরে বয়ে যায় কত স্রোত কিন্তু গ্রামবাসীদের সেতুর দাবী আজও সেই তিমিরেই। রায়গঞ্জ ব্লকের বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন মাকড়া এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত নাগর নদী বাংলা বিহারের সীমানা হিসেবে পরিচিত। নদীর একপ্রান্তে রায়গঞ্জ অপর প্রান্তে বারসই। স্বাধীনতার পর কেটে গিয়েছে ৭৫ বছর। ভোট এসেছে গিয়েছে কিন্তু আজও এই নদীর উপরে সেতু তৈরী হয়নি। যার জেরে রায়গঞ্জ বারসই সড়ক যোগাযোগ আজও স্বপ্নই রয়ে গিয়েছে ২ পাড়ের মানুষের কাছে। বর্তমানে রায়গঞ্জ থেকে বারসইয়ের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হল রেল যোগাযোগ। তাও দিনে মাত্র গোনা কয়েক। তার উপরেই নির্ভর করে থাকতে হয় সাধারন মানুষকে। সড়ক পথে যেতে হলে ২২ কিলোমিটার ঘুরপথে যেতে হয়। যা অবশ্যই সময় ও ব্যায় সাপেক্ষ। ফলে মাকড়া, বাহিন সহ সংলগ্ন অঞ্চলের মানুষ এই নদীর উপরে অবস্থিত বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে যাতায়াত করেন। সাঁকো থেকে নামার পর বেশ কিছুটা মেঠো পথ পায়ে হেঁটে যাওয়ার পর গাড়ি ধরতে হয়। বর্ষাকালে অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পরে। তখন নৌকা ছাড়া গতি নেই।রাত বিরেতে ভরা নদী নৌকায় পার হতে গিয়ে ঘটে যায় দূর্ঘটনা। হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চূড়াত বেগ পেতে হয়। স্থানূয় সূত্রের খবর, এই এলাকার প্রধানতম বানিজ্যস্থল হিসেবে পরিচিত রায়গঞ্জ। সেকারনে এই পথ দিয়ে রোজ কয়েক হাজার মানুষ বিহার থেকে রায়গঞ্জে আসা যাওয়া করেন। বহুবার এখানে সেতুর দাবী জানানো হয়েছে। অভিযোগ, ভোটের আগে লোক দেখানো প্রতিশ্রুতি এলেও ভোট পার হলেও যে যার মতন। অবিলম্বে যাতে এখানে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরী হয় তার দাবী জানিয়েছেন সকলেই।কিন্তু কেন থমকে রয়েছে এই প্রকল্প? এ বিষয়ে আমরা টেলিফোনে যোগাযোগ করেছিলাম রায়গঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মানস ঘোষের সঙ্গে। তিনি বলেন, পঃ বঃ সরকার সবরকম ভাবে সেতুর জন্য প্রয়াস নিয়েছে। কিন্তু বিহার সরকারের এন ও সি প্রয়োজন। তাদের এন ও সি পেলেই এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে।এখন কতদিনে এই স্বপ্ন পূরন হয় সেটাই দেখার।
